1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

আধুনিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশি নারী

দক্ষিণ এশিয়া তথা বাংলাদেশ, ভারত, নেপালের মত দেশগুলোতে গণমাধ্যমে নারীর সম্পৃক্ততা বাড়ছে৷ বাড়ছে যে তাতে কোন সন্দেহ নেই৷ কিন্তু কতোখানি বাড়ছে এবং এই পথ চলতে গিয়ে কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় একজন নারীকে ?

default

একজন নারীর কথা বলতে গেলে কী ধরনের ছবি ভাসে সামনে বলুনতো ? বলা একটু কঠিন কেননা, বিশ্বের স্থান ভেদে নারীর চেহারা একেকরকম৷ ইউরোপের নারী সম্পর্কে বলতে গেলে, প্রথমেই চোখে ভাসে দুর্দান্ত স্মার্ট, কর্মঠ, চৌকস একজন মানুষ, সে নারীই হোক বা পুরুষই৷ আফ্রিকা, এশিয়ার নারীও কিন্তু কর্মঠ, চৌকস এবং স্মার্ট৷ তাতে কোন সন্দেহ নেই৷ প্রশ্নটা একটু অন্য জায়গায়৷ এশিয়া, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার কথা যদি বলি, তাহলে বলতে হয়, এই এলাকার নারীরা কী তাদের কর্মঠ, চৌকসতা এবং স্মার্টনেস সত্ত্বা বজায় রেখে জীবন যাপন করতে পারেন ? অথবা কর্মক্ষেত্রে চলতে পারেন ?

ভারত, বাংলাদেশে গণমাধ্যম এবং ব্যাংকে কর্মী হিসেবে নারীর সম্পৃক্ততা বাড়ছে৷ বাংলাদেশে ১৯৪০-এর দশকে পত্রিকায় নারীর সম্পৃক্ততা শুরু হলেও, সংখ্যার দিক দিয়ে তা ছিল খুবই স্বল্প৷ অর্ধ শতাব্দেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে৷ দেশটির

Überschwemmung in Bangladesch

গণমাধ্যমে নারীর সম্পৃক্ততা বেড়েছে, তাতে সন্দেহ নেই৷ কিন্তু এই খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন তা আশানুরুপ নয়৷ সাংবাদিকতায় নারীর অবস্থান এক চতুর্থাংশেরও কম৷ আর বাংলাদেশের ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে যেই হারে নারী সম্পৃক্ত হয়েছে, সেইহারে পত্রিকাগুলোতে নারীকে সম্পৃক্ত হতে দেখা যায়নি৷ ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমগুলোতে একজন নারী সাংবাদিককে, তাঁর পুরুষ সহকর্মীর সঙ্গে সবসময়ই প্রতিযোগিতা করেই টিঁকে থাকতে হচ্ছে৷ সেটি অবশ্য যে কোন পেশাতেই করতে হচ্ছে বলা যায়৷ কিন্তু মেয়েরা কী এই পেশাতে স্বচ্ছন্দে কাজ করতে পারছেন ? সেই প্রসঙ্গে পরে আসছি৷

স্টাইন একার্ট৷ দুই সপ্তাহ তিনি বাংলাদেশে সাক্ষাত্কার নিয়েছেন, তারপর পরিস্থিতি কিছুটা আঁচ করতে পেরেছেন৷ তাঁর মতে পেশাদারি কাজ, যেমন, সাংবাদিকতা, এইখাতে বাংলাদেশে এখনও পুরুষের আধিপত্য৷

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, দেশের সাংবাদিক তৈরির হাতেখড়ির জায়গা বলা যায়৷ এই বিভাগেরই চেয়ার এবং অধ্যাপক ড. গিতিআরা নাসরীন৷ তাঁর কাছে প্রশ্ন ছিল, বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলোতে নারীর সংখ্যা এবং সমস্যা সম্পর্কে৷ তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে যত বেশি নারী কাজ করছেন, পত্রিকায় সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে ততো বেশি নারীকে সম্পৃক্ত হতে দেখা যায়না৷ তিনি জানান, বাংলাদেশের নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি দেখেছেন, কর্মক্ষেত্রে সমাজ বা পরিবার কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না, কর্মক্ষেত্রে তাঁদের সবচেয়ে বড় শত্রু পুরুষ সহকর্মীরা৷

প্রতিবেদন : ফাহমিদা সুলতানা

সম্পাদনা : আবদুস সাত্তার

সংশ্লিষ্ট বিষয়