1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

আদিলুরের মুক্তির দাবি জোরালো হচ্ছে

মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার'-এর সম্পাদক আদিলুর রহমান খানের মুক্তি দাবি করেছেন হিউম্যান রাইটস কোয়ালিশন গ্রুপের সদস্যরা৷বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৩৫টি মানবাধিকার সংগঠন এই দাবি জানিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে৷

হিউম্যান রাইটস কোয়ালিশন গ্রপের সদস্যরা বলেছেন, আদিলুর রহমান খান বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান মানবাধিকার নেতা৷ মানবাধিকার রক্ষায় তিনি কাজ করছেন৷ আর এ জন্য তিনি তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করেন৷ তাই তাঁকে আটক রাখা দুঃখজনক৷ তাঁর মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার' বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, নির্যাতনসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কাজ করে৷ তাঁরা তাই তাঁর মুক্তিসহ তার নিরাপত্তা, জব্দ করা যন্ত্রপাতি ফেরত এবং তার আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন৷

এর জবাবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার মাসুদুর রহমান ডয়চে ভেলেকে জানান, আদিলুর রহমান খানের ব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে৷ ‘অধিকার' শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে পুলিশের রাতের অভিযানে যে ৬১ জন নিহত হওয়ার তালিকা দিয়েছে, তার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি৷ ওই রাতের অভিযানে কেউ নিহত হয়নি৷ আগে এবং পরে মোট ১৩ জন নিহত হয়েছেন৷ তিনি বলেন, ‘অধিকার' জীবিত ব্যক্তিদের নাম নিহতদের তালিকায় দিয়েছে৷ আর এই তালিকা পুলিশ ‘অধিকার'-এর কম্পিউটার থেকেই পেয়েছে৷ তিনি জানান, আদিলুর রহমানের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে আদালতে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করা হয়েছে৷ আদিলুর সরকার এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে দেশে এবং দেশের বাইরে এই অসত্য তালিকা পাঠিয়েছেন বলে জানান পুলিশের উপ কমিশনার৷

Blasphemie Gesetz Ausschreitungen Dhaka

হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ নিয়েই মূল সমস্যা

এদিকে বাংলাদেশের হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট এলিনা খান ডয়চে ভেলেকে জানান, আদিলুরকে জামিনে মু্ক্তি দেয়া না দেয়া এখন আদালতের এক্তিয়ার৷ তাঁকে জামিনে মুক্তি দেয়ার জন্য উচ্চ আদালতে আবেদনও করা হয়েছে৷ তবে তিনি মনে করেন, তাঁকে বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্যে রেখে মুক্তি দেয়া যেতে পারে৷

এলিনা খান বলেন, তবে অধিকারের উচিত নিহত ৬১ জনের তালিকা আদালতকে দেয়া৷ আদালত নিজে অথবা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সেই তালিকা তদন্ত করে দেখতে পারে৷ তাহলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে তাদের তালিকা সঠিক কিনা৷ তিনি জানান, ‘অধিকার'-এ কাজের স্বচ্ছতার জন্যই এটা করা উচিত৷ আর আদিলুরের বিরুদ্ধে যে মামলা, সেই মামলায় নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে হলে তালিকার সত্যতা তাকেই নিশ্চিত করতে হবে৷ উল্লেখ্য, গত ১০ই আগস্ট আদিলুর রহমান খানকে গ্রেফতার করে পুলিশ৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়