1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

আদালতের রায়কে ‘রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত’ বললেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের উপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন৷ কিন্তু তাঁর এই আদেশ একের পর এক বিরোধিতার মুখোমুখি হচ্ছে৷

প্রথমে সিয়াটলের একজন বিচারক ট্রাম্পের আদেশ বাস্তবায়ন স্থগিত করে রায় দেন৷ এর প্রেক্ষিতে আইন মন্ত্রণালয় সিয়াটলের ঐ বিচারকের রায় বাতিল করে জরুরি ভিত্তিতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ বহাল রাখার আবেদন করেছিলেন সান ফ্রান্সিসকোর ফেডারেল আপিল আদালতে৷ কিন্তু বৃহস্পতিবার আপিল আদালতের তিনজন বিচারকই ট্রাম্পের আদেশ বহালের বিরুদ্ধে রায় দেন৷

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সান ফ্রান্সিসকোর আদালতের রায়ের পরপরই টুইট করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁর প্রশাসন আবারও আদালতে যাবে৷

এরপর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘‘এটি একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত৷’’

ট্রাম্পের টুইটের পর বিশ্লেষকরা ধরে নিচ্ছেন বিষয়টির সুরাহা হতে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যেতে হতে পারে৷

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ঊর্ধ্বতন গবেষক গ্রেস মেঙ সান ফ্রান্সিসকোর আদালতের রায়ের প্রশংসা করে বলেছেন, ‘‘এটি (এই রায়) স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা৷ প্রেসিডেন্ট ক্ষতিকর কিছু করতে চাইলে তা নিয়ন্ত্রণে এরকম বিচার ব্যবস্থা প্রয়োজন৷’’

জানুয়ারির ২৭ তারিখে সই করা ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে বলা হয়, ইরাক, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, সিরিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিকরা আগামী তিন মাস যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না৷ সবগুলো দেশই মুসলিমপ্রধান হওয়ায় অনেকে এই আদেশে মুসলিমদের উপর নিষেধাজ্ঞা হিসেবে দেখছেন৷ তবে ট্রাম্প প্রশাসন এই অভিযোগ অস্বীকার করছে৷

ট্রাম্পের মতোই চান তাঁরা

লন্ডনের থিংক ট্যাংক ‘চ্যাথাম হাউস’এর এক জরিপ বলছে, অধিকাংশ ইউরোপীয় নাগরিক নতুন করে তাদের দেশে মুসলিম দেশ থেকে আসা অভিবাসী নিতে চান না৷ অর্থাৎ তাঁরা ট্রাম্পের মতো নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষে৷ অবশ্য ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ জারির আগেই জরিপটি পরিচালনা করা হয়েছিল৷

দশটি দেশের ১০ হাজার নাগরিককে একটি বিবৃতির পক্ষ-বিপক্ষ নিতে বলা হয়েছিল৷ বিবৃতিটি ছিল এরকম, ‘‘আরও অভিবাসী, প্রধানত মুসলিম দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের নেয়া বন্ধ করা উচিত৷’’ প্রায় ৫৫ শতাংশ উত্তরদাতা বিবৃতির পক্ষে বলে জরিপে জানা গেছে৷ যে সব দেশের নাগরিকদের উপর জরিপ করা হয়, সেগুলো হচ্ছে, বেলজিয়াম, জার্মানি, গ্রিস, স্পেন, ফ্রান্স, ইটালি, অস্ট্রিয়া, গ্রেট ব্রিটেন, হাঙ্গেরি ও পোল্যান্ড৷

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন