1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

আজ গ্রিসের ঋণখেলাপি হওয়ার দিন

না, শিরোনাম পড়ে ধরে নেবেন না ব্যাপার আনন্দের৷ ইউরোপ তথা বিশ্ব নেতৃবৃন্দের জন্য বিষয়টি বেশ চিন্তার৷ গ্রিস যেন এই অবস্থায় পৌঁছাতে না পারে সেজন্য গত প্রায় পাঁচ মাস ধরে আলোচনা চলছে৷

কিন্তু দাতাদের সংস্কার প্রস্তাবের সঙ্গে গ্রিস এখনও একমত হতে না পারায় বেইলআউট প্যাকেজের শেষ কিস্তির টাকা (৭.৪ বিলিয়ন ইউরো) পায়নি গ্রিস৷ তাই মঙ্গলবার আইএমএফকে ঋণের যে ১.৫ বিলিয়ন ইউরো ফেরত দেয়ার কথা সেটা গ্রিস দিতে পারবে না বলে সোমবারই জানিয়ে দিয়েছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সিস সিপ্রাস৷

দাতাদের সবশেষ সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে দেশের নাগরিকদের মনোভাব জানতে আগামী রবিবার গণভোট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন সিপ্রাস৷ ঐ গণভোটে দাতাদের প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি৷ সেটা না হলে নিজে পদত্যাগ করতে পারেন বলেও আভাস দিয়েছেন৷

এদিকে, জার্মান চ্যান্সেলর এবং ফ্রান্স ও ইটালির প্রেসিডেন্ট সহ ইউরোপের নেতারা গণভোট নিয়ে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন৷ তাঁরা মনে করছেন, এই ভোট গ্রিসের ইউরোজোনে থাকা না থাকারও একটি সিদ্ধান্ত হতে পারে৷

গ্রিক প্রধানমন্ত্রীর একসময়ের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ইউরোপীয় নেতা বলে পরিচিত ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান জঁ ক্লোদ ইয়ুংকার গণভোট আয়োজনের ঘোষণায় নিজেকে ‘প্রতারিত' মনে করছেন৷ তিনি মনে করছেন, ‘‘গণভোটে ‘না' জয়ী হওয়া মানে গ্রিসের ইউরোপকে না বলা৷''

তবে গ্রিক প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গণভোটের রায় গ্রিসকে দাতাদের সঙ্গে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় একটি শক্ত ভিত্তি দেবে৷

ইউরোগ্রুপের প্রধান ও জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল গণভোটের পর আবারও ঋণচুক্তি নিয়ে আলোচনার কথা বলেছেন৷ গ্রিক প্রধানমন্ত্রীও তেমন ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন৷

এদিকে, সোমবার সন্ধ্যায় গ্রিসের দুটি শহরে দাতাদের সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে গ্রিস সরকারের অবস্থানের সমর্থনে মিছিল হয়েছে৷ এত প্রায় ১৩ থেকে ১৭ হাজার মানুষ অংশ নেয় বলে বার্তা সংস্থাগুলো খবর দিয়েছে৷

গ্রিসের বিষয়টি ইউরোপ ছাড়িয়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ কারণ গ্রিস সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বিশ্বের শেয়ার বাজারে৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গ্রিস প্রসঙ্গ নিয়ে টেলিফোনে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন৷ তাঁরা মনে করছেন, গ্রিসের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে এখনও আলোচনা হতে পারে৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়