1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘আগে মন্ত্রীত্ব ছাড়ুক, তারপরে তদন্ত হোক’

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন কি সত্যিই হিন্দু সম্পত্তি দখল করেছেন? অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ তবে ডিডাব্লিউ-র পাঠকরা এ তদন্তের ফলাফল নিয়ে সন্দিহান৷

কয়েকদিন আগে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে হিন্দু সম্পত্তি দখলের অভিযোগ তোলে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ৷ পরে সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী এই মন্ত্রী৷ তবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মীয় হিসেবে পরিচিত খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগটি তদন্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার৷ তার নির্বাচনি এলাকা ফরিদপুরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সত্যিই একটি হিন্দু পরিবারের সম্পদ কৌশলে দখল করে নিয়েছেন কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে৷

তবে এই কমিটি সত্যিই নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে, নাকি মন্ত্রীর প্রভাববলয়ের লোকজন সম্পৃক্ত থাকায় সত্য ধামাচাপা পড়বে- এ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে প্রশ্ন উঠছে৷ কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনেও এই আশঙ্কার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে৷

এই বিষয়ে ডয়চে ভেলের পাঠক ও ফেসবুক পাতার অনুসারীদের মতামতও জানতে চাওয়া হয়েছিল৷ তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল, ‘‘এই তদন্ত থেকে কি সত্যি বেরিয়ে আসবে?’’

জবাবে মশিউর রহমান শুধু তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে লিখেছেন, ‘‘উদ্যোগটা ভালো৷’’ পলাশ মন্ডল লিখেছেন, ‘‘এটা লোক দেখানো কমিটি, সত্য বেরিয়ে আসবেনা৷’’ নাটক না করে সঠিক তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন পঙ্কজ৷

Bangladesh Hindus Überfall Jessore

যশোরের ঘটনার পর পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছিল...



সুবীর মম লিখেছেন, ‘‘তদন্ত করবেটা কে, আগে মন্ত্রীত্ব ছাড়ুক, তারপরে তদন্ত হবে৷’’ অর্থাৎ অনেকের মনেই মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নির্বাচনি এলাকায় তিনি মন্ত্রী থাকা অবস্থায় তাঁর বিরুদ্ধে গঠন করা তদন্ত কমিটি নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে কিনা এ বিষয়ে সংশয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷

হোসেন বিন ইউসুফও তাই মনে করছেন, ‘‘লোক যখন সরকার দলীয় তখন কিচ্ছু করতে পারবে না৷’’

ফেসবুকে কেউ কেউ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এখনই কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেছেন৷ তবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে সেরকম কোনো ব্যবস্থা নিলে মন্ত্রীর প্রতিও অবিচারের আশঙ্কা থেকে যায় কিনা এ প্রশ্নের কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি৷

সংকলন: আশীষ চক্রবর্ত্তী
সম্পাদনা: জাহিদুল হক

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়