1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

আগামী অর্থবছর সরকারের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং হবে: সিপিডি

সামনের অর্থবছরকে সরকারের জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং মনে করছে বাংলাদেশের অর্থনীতি বিষয়ক থিংক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ৷ অব্যাহত মূল্যস্ফিতি, বৈদেশিক বাণিজ্য হ্রাস এবং ভারসাম্যহীন সরকারি আয়-ব্যয়েই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি৷

default

‘মানুষের আয় বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে৷’

এর সঙ্গে আরো যোগ হয়েছে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা এবং ব্যাংক ও মুদ্রা বাজারের দুর্বলতা৷ সিপিডি তার বাজেট প্রস্তাবনায় বলেছে, গত অর্থবছরে রফতানি এবং কৃষি ও রাজস্ব খাতে সরকারের সাফল্য উল্লেখ করার মত৷ কিন্তু মুদ্রাস্ফীতির লাগাম টেনে ধরা যায়নি৷ আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য-দ্রব্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে৷ এই প্রভাব অব্যাহত থাকবে৷ একথাই বললেন সিপিডির গবেষণা প্রধান ড. ফাহমিদা খাতুন৷

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এজন্য খাদ্য সরবরাহ বাড়ালেই চলবেনা৷ মানুষের আয় বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে৷ কারণ মানুষের হাতে অর্থ না থাকলে সে খাদ্য কিনতে পারবেনা৷ তাই খাদ্য সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগের ওপর জোর দিতে হবে৷

অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, গত অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে সাফল্য থাকলেও রাজস্ব বহির্ভূত আয় ২০ শতাংশ কমেছে৷ তাই সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক করে এখাত থেকে আয় বাড়ান উচিত৷ তিনি জানান, এডিপি কমলেও এখাতে ভর্তুকি বেড়ে যাওয়ায় সরকারের ব্যয় বাড়বে৷

সরকারকে ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকগুলোর ওপর নির্ভরশীল না হয়ে সঞ্চয়পত্রসহ বিভিন্ন ব্যাংক বহির্ভূত খাতের ওপর নির্ভরশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সিপিডি৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

নির্বাচিত প্রতিবেদন