1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

আইস বাকেট চ্যালেঞ্জের সঙ্গে ‘মারিজুয়ানা মুক্তি’

জার্মানির সবুজ দলের যুগ্ম প্রধান চেম ও্যজদেমির তাঁর ‘আইস বাকেট চ্যালেঞ্জ’ ভিডিও ক্লিপে একটি সূক্ষ্ম বার্তা যোগ করে দিয়েছেন: গঞ্জিকাসেবনকে বৈধ করার ব্যপারে৷

ক্লিপে ও্যজদেমির-এর পাশেই দেখা যাচ্ছে একটি গাঁজা বা ক্যানাবিস গাছ৷ নিউরোডিজেনারেটিভ লু গেরিগ ডিজিজ বা এএলএস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াবার জন্য বিশ্বের অন্যান্য বহু শিষ্ট-বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মতো জার্মান পরিবেশবাদীদের তুর্কি বংশোদ্ভূত নেতা, ৪৮ বছর বয়সি ও্যজদেমির মাথায় বরফ জল ঢেলেছেন ঠিকই, বার্লিনের কোনো বাড়ির ছাদের বারান্দায় দাঁড়িয়ে৷ বোধহয় খেয়াল করেননি যে, পাশের একটি টবে রাখা পাতাওলা গাছটি আসলে একটি গাঁজার গাছ৷

না, ও্যজদেমির-কে ‘বেনেফিট অফ ডাউট' দেবার কোনো প্রয়োজন নেই, কেননা পরে তিনি নিজেই মন্তব্য করেছেন: ‘‘ওটা ওখানে ভুল করে রাখা ছিল না'' – অর্থাৎ সজ্ঞানেই রাখা ছিল৷ ও্যজদেমির নাকি ঐ পদ্ধতিতে একটি ‘‘মৃদু রাজনৈতিক বার্তা'' রাখতে চেয়েছিলেন৷ সেই বার্তাটি যে কী, তা-ও কাউকে বলে দিতে হবে না: মারিজুয়ানা, অর্থাৎ গাঁজাকে বৈধ করো

ও্যজদেমির তাঁর এই ‘গঞ্জিকা বার্তা'-র কথা স্বীকার করা আগেই আইসবাকেটচ্যালেঞ্জ-এ যাঁরা ক্লিপটি দেখেছেন, সেরকম অনেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ব্যাপারটা বুঝে ফেলেছেন বটে, কিন্তু তাঁদের মধ্যে অর্ধেক ভেবেছেন, ও্যজদেমির জেনেশুনে এমন কাজ করতে পারেন না৷ বাকি অর্ধেক কিন্তু সবুজ রাজনীতিকের মারিজুয়ানা বৈধকরণের প্রতি এই পরোক্ষ সমর্থনে খুবই আনন্দিত৷

তবে ইন্টারনেটে আনন্দ আর ব্যঙ্গের মধ্যে তফাৎটা সবসময় ধরা যায় না৷ তাই একজন টুইট করেছেন: ‘‘ও্যজদেমির যে শুধু নিজের পুরুষত্ব প্রমাণ করেছেন, এমন নয়, তাঁর কাছে ভালো গাঁজার গাছ আছে, সেটাও প্রমাণ হয়েছে৷'' আরেক মহাত্মা নির্দোষভাবে প্রশ্ন করেছেন: বার্লিনে এমন কোনো বারান্দা আছি নাকি, যেখানে গাঁজার চাষ হয় না? আরেক রসিক ক্যানাবিস গাছের সবুজ পাতা দেখে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন: ‘‘সাধে কি ওদের দলের নাম ‘সবুজ'!''

ও্যজদেমির গতকাল ‘বিল্ড' ট্যাবলয়েডকে বলেছেন, ‘‘হ্যাঁ, ওটা গাঁজার গাছ৷'' মারিজুয়ানা বৈধকরণ সম্পর্কে তাঁর বক্তব্য: ‘‘আমরা সবুজরা ব্যক্তিস্বাধীনতার ভক্ত৷ কেউ গাঁজা খেতে পারবে কিনা এবং সেই সংক্রান্ত ঝুঁকি নিতে পারে কিনা, একটি মুক্ত সমাজে সেই সিদ্ধান্ত নাগরিকরা নিজেরাই নেবেন৷''

ভালো কথা, কিন্তু পুলিশ যদি এবার বেআইনিভাবে গাঁজা চাষের জন্য ও্যজদেমির-কেই ধরে?

এসি/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন