1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

মধ্যপ্রাচ্য

আইএস যোদ্ধারা সুন্নি আরব নারীদের ধর্ষণ করছে: এইচআরডাব্লিউ

জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট-এর যোদ্ধারা ইরাকে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকার সুন্নি আরব নারীদের ধর্ষণ ও নির্যাতন করছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ৷

ইয়াজেদি নারীদের বিরুদ্ধে একইরকম নির্যাতন ভালোভাবে নথিভুক্ত রয়েছে৷

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বা এইচআরডাব্লিউ সোমবার জানায়, সুন্নি আরব মুসলিম নারী এবং মেয়েদের ইচ্ছামত আটকে রাখাসহ পেটানো, যৌন নিপীড়ন এবং জোর করে বিয়ে করতে বাধ্য করা হচ্ছে৷ ইরাকের মোসুল থেকে পালিয়ে আসা ছয় নারীর সঙ্গে সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে এইচআরডাব্লিউ৷ এই প্রথম সুন্নি নারীদের উপর ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর নির্যাতনের বিস্তারিত তথ্য জানা গেলো৷

এইচআরডাব্লিউ-র মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক উপ-পরিচালক লামা ফাকিহ এই বিষয়ে বলেন, ‘‘আমার আশা করি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই ভুক্তভোগী দলকে সহায়তায় যা কিছু সম্ভব করবে৷''

ভিডিও দেখুন 01:47

এইচআরডাব্লিউকে সাক্ষাৎকার দেয়া নারীদের একজন হানান জানান, তাঁর স্বামী এলাকা ত্যাগের বেশ কয়েকসপ্তাহ পরে তিনি তাঁর সন্তানদেরসহ মোসুল থেকে পালানোর চেষ্টা করেন৷ কিন্তু পলায়নরত দলটি আইএস-এর কাছে ধরা পড়ে যায়৷ তখন জঙ্গিরা হানানকে জানায় যে, তাঁর স্বামী ধর্মত্যাগী হয়েছেন, ফলে হানানকে একজন আইএস জঙ্গি নেতাকে বিয়ে করতে হবে৷ কিন্তু তিনি তা করতে অস্বীকার করায়, তাঁকে পেটানো হয় এবং সন্তানদের সামনেই প্রতিদিন ধর্ষণ করা হয়৷

ইয়াজেদি নারীদের সঙ্গেও এমন আচরণের কথা ইতোপূর্বে এইচআরডাব্লিউ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে৷

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আইএস-এর নির্যাতনের শিকার নারী ও মেয়েদের পরিবারের সদস্যরা নির্যাতনের কথা গোপন রাখার চেষ্টা করেন কেননা তারা মনে করেন, সেগুলো জানাজানি হলে সমাজে নির্যাতিতদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে৷ এইচআরডাব্লিউ নির্যাতিতদের সহায়তা করতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তাদের মুখ খুলতে উৎসাহ যোগাতে বিভিন্ন গোষ্ঠীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে৷

উল্লেখ্য, ইসলামিক স্টেট এক ধরনের সুন্নি ইসলামের অনুসারী বলে নিজেদের দাবি করে, যা মহানবী মোহাম্মদের সময় চর্চা করা হতো৷ ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময় ইরাক এবং সিরিয়ার বেশ কিছু অংশ দখল করে নিজেদের ‘খেলাফত' প্রতিষ্ঠিত করে জঙ্গি গোষ্ঠীটি৷ আন্তর্জাতিক সামরিকজোটের সহায়তায় ইতোমধ্যে অবশ্য আইএস-এর কাছ থেকে অনেক এলাকা পুনরুদ্ধারের সক্ষম হয়েছে ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী৷

সামান্থা আর্লি/এআই

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়