1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

আইএস যোদ্ধার দাবি, ‘আমি শহিদের মৃত্যু চাই'

ফ্রাংকফুর্টের আদালতে দাঁড়িয়ে সিরিয়ায় আইএস-এর হয়ে যুদ্ধ করে আসা এক তরুণ বলেছেন, ‘‘আমি শহিদের মৃত্যু বরণ করতে চাই৷'' ডিসেম্বরে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে৷ আদালতে এ বক্তব্য দেয়ার পর তাঁর কঠোর শাস্তি এড়ানো কঠিন হবে৷

২০১৩ সালের জুলাই মাসে জার্মানি থেকে তুরস্কের ইস্তানবুল এবং সেখান থেকে বাসে চড়ে সিরিয়া যান ক্রেশনিক৷ কসোভো বংশোদ্ভূত এ তরুণের বয়স ২০ বছর৷ ছয় মাস পর সিরিয়া থেকে ফেরেন তিনি৷ ফেরার দিন ফ্রাংকফুর্ট বিমানবন্দরেই গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে৷ সেই থেকে ক্রেশনিক পুলিশ হেফাজতেই আছেন৷

জার্মানিতে ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর সব ধরণের কার্যক্রম নিষিদ্ধ৷ কোনো সন্ত্রাসী বা জঙ্গি সংগঠনের সদস্য হওয়াও আইনত দণ্ডনীয়৷ সে হিসেবে আইএস বা আইসিস-এর যোদ্ধা হিসেবে সিরিয়ায় যাওয়ার কারণেই ক্রেশনিকের শাস্তি হবে৷ তবে কঠিন শাস্তি এড়ানোর সুযোগ ছিল৷ তাঁর আইনজীবী মুটলু গ্যুনাল সে চেষ্টাই করছেন৷ শুরুর দিকে ক্রেশনিকের আপত্তি সত্ত্বেও আদালতে লিখিত বক্তব্য পেশ করার ব্যবস্থা করেছেন৷ সোমবারের শুনানিতে হাজির হয়ে ক্রেশনিক যখন বললেন, ‘‘আমি এখনো আসলে শহিদের মৃত্যু বরণ করতে চাই'', আইনজীবী মুটলু গ্যুনালও থ' হয়ে যান৷

সব প্রশ্নে সুকৌশলেই জবাব দিচ্ছিলেন ক্রেশনিক৷ সিরিয়ায় তিনটি যুদ্ধে অংশ নিলেও তাঁর দাবি, কোনো যুদ্ধে তিনি একটা গুলিও ছোড়েননি৷ ক্রেশনিক জানান, আইএস-এর যোদ্ধারা তাঁকে সবসময় পেছনের দিকে রেখেছে৷ তাঁর মতে, আইএস ইউরাপীয়দের পুরোপুরি বিশ্বাস করেনা, তাই মূলত আরব এবং চেচেন যোদ্ধারাই যুদ্ধে সামনের কাতারে থাকছে৷

লিখিত বক্তব্যে সন্তুষ্ট না হওয়াতেই সরাসরি ক্রেশনিকের বক্তব্য শুনতে চেয়েছিল আদালত৷ কিন্তু আদালতকে তেমন কোনো তথ্যই তিনি দেননি৷ আইএস সম্পর্কিত সব প্রশ্নেই ‘‘আমি জানি না'' গোছের উত্তর দিয়েছেন৷ একটি ভিডিওতে তাঁকে সশস্ত্র যোদ্ধার বেশে দেখা গেছে৷ সেই ভিডিও দেখিয়ে আদালত জানতে চেয়েছিল, ভিডিও চিত্রটি কোথায় ধারণ করা হয়েছে? ক্রেশনিক জবাব দেন, ‘‘মনে করতে পারছি না''৷

তবে এক পর্যায়ে ক্রেশনিক বলে দেন, ‘‘আমি আমার ভাই এবং বোনদের রক্ষা করতে যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়েছিলাম৷ আমি এখনো শহিদের মৃত্যু বরণ করতে চাই৷'' এমন বক্তব্যের কারণে তাঁর দশ বছরের জেল হতে পারে৷ না হলে হয়ত তিন থেকে চার বছরের জেল হতো৷

এসিবি/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়