1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

আইএস এর বিরুদ্ধে জার্মানি ৭০০ মিশন পরিচালনা করেছে

বার্লিনে বড়দিনের বাজারে সন্ত্রাসী আক্রমণের পর নেওয়া একটি জরিপে অধিকাংশ জার্মান বলেছেন যে, তাঁরা আইএস-এর বিরুদ্ধে সংগ্রামে জার্মান সেনাবাহিনীর কার্যকলাপ বাড়ানোর পক্ষে৷

জার্মান রিকনিসন্স জেটগুলি আইএস-বিরোধী জোটের বিমান হানায় সাহায্য করে থাকে৷ গত জানুয়ারি মাস থেকে ‘বুন্ডেসভের', অর্থাৎ জার্মান সামরিক বাহিনীর বিমান শত্রুর অবস্থান সহ অন্যান্য বিষয়ে প্রাথমিক জরিপ করার উদ্দেশ্যে সিরিয়া ও ইরাকে শত শত বার উড়েছে৷ বুধবার জার্মান ডিপিএ সংবাদ সংস্থা জার্মান সেনাবাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড সেন্টার থেকে প্রদত্ত পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এ খবর দেয়৷

২০১৫ সালের গোড়া থেকে জার্মানি সিরিয়া ও ইরাকে আইএস-এর বিরুদ্ধে বিমান হানায় সাহায্য করে আসছে৷ এজন্য জার্মানি ছ'টি টর্নাডো রিকনিসন্স জেট ও একটি আকাশে তেল ভরার ট্যাংকার বিমান নিয়োগ করেছে৷ পরিসংখ্যান বলছে, টর্নাডো জেটগুলি মোট ৬৯২টি রিকনিসন্স উড়াল সম্পন্ন করে, ট্যাংকারটি ওড়ে ৩১৫ বার৷ তুরস্কের ইনচিরলিক বিমানঘাঁটি থেকে উড়ে জার্মান সেনাবাহিনীর বিমানগুলি মোট ৩,৬৫১ ঘণ্টা আকাশে থাকে৷

অন্যান্য গতিবিধি

এছাড়া বুন্ডেসভের-এর সৈন্যরা ‘এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল' (এডাবলিউএসি) বা ‘বিমান থেকে শীঘ্র সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ' প্রণালীর রাডার যুক্ত ন্যাটো বিমানগুলিতে কাজ করেছে মোট ১০টি রিকনিসন্স উড়ালে৷

বুন্ডেসভের-এর সৈন্যরা উত্তর ইরাকে কুর্দ পেশমার্গা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে ও তাদের অস্ত্র সরবরাহ করেছে৷ এছাড়া জার্মানি জর্ডান, টিউনিশিয়া, মালি, নাইজার ও নাইজেরিয়াকে সামরিক সরঞ্জাম প্রদান করেছে৷

জার্মান জেটগুলির বয়স কম নয়; গত অক্টোবর মাসে তাদের অর্ধেককে বসিয়ে দিতে হয় কেননা তাদের ককপিটে কিছু স্ক্রু ঢিলে ছিল৷ এছাড়া তুরস্কে একটি ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের সময় জেটগুলো উড়তে পারেনি৷

নভেম্বর মাসে জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায় যে, জার্মান সংসদের অনুরোধে জার্মান সামরিক বাহিনীর জেটগুলোকে তুরস্ক থেকে জর্ডান, কুয়েত বা সাইপ্রাসে সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে৷ বিংশ শতাব্দীর সূচনায় আর্মেনীয়দের উপর তুরস্কের নির্বিচার হত্যাকাণ্ডকে ‘গণহত্যা' আখ্যা দিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করে জার্মান সংসদ৷ সে যাবৎ তুরস্ক বারবার জার্মান সাংসদদের ইনচিরলিক যাওয়া রুখে দিয়েছে৷

১৯শে ডিসেম্বর বার্লিনে বড়দিনের বাজারে সন্ত্রাসী আক্রমণের পর ইউগভ সংস্থা ডিপিএ সংবাদ সংস্থার হয়ে যে জরিপ করে, তা থেকে দেখা যাচ্ছে যে, ৫৩ শতাংশ জার্মান চান যে, জার্মানি আইএস বিরোধী কার্যকলাপে আরো বেশিভাবে সংশ্লিষ্ট হোক - মাত্র ৩০ শতাংশ এর বিরোধী৷

জার্মান সামরিক বাহিনী সিরিয়া ও ইরাকে আইএস অবস্থানগুলির উপর বোমা আক্রমণ চালাবে কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে কিন্তু ৪৮ শতাংশ বলেছেন যে, তারা এর বিরোধী - মাত্র ৩৩ শতাংশ সক্রিয়ভাবে বোমাবর্ষণের সপক্ষে৷

এসি/জেডএইচ (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়