1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

অ্যাসিড সন্ত্রাস বন্ধে আইন করছে ক্যাম্বোডিয়া

ক্রমবর্ধমান অ্যাসিড সন্ত্রাস বন্ধ করতে এবার বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানের আইনের অনুকরণে একটি আইন প্রণয়ন করতে যাচ্ছে ক্যাম্বোডিয়া৷ দেশটির পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান ফি বছর এসিড সন্ত্রাস বাড়তে থাকায় এই পদক্ষেপ৷

default

বাংলাদেশে অ্যাসিড সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশের একাংশ (ফাইল ফটো)

স্বর্ণালঙ্কার পরিস্কার, যানবাহনের ইঞ্জিন সংরক্ষণ এবং অন্যান্য কাজে অ্যাসিড ব্যবহার করা হয় ক্যাম্বোডিয়ায়৷ এ কারণে বাজারে অনেকটাই সহজলভ্য এই পণ্য৷ আর এই সহজলভ্যতারই সুযোগ নিচ্ছে সন্ত্রাসীরা৷ ক্যাম্বোডিয়ায় অ্যাসিড সন্ত্রাস বিরোধী কাজ করছে এসিড সার্ভাইভার্স চ্যারিটি নামের একটি বেসরকারি সংগঠন৷ এই সংগঠনের হিসাবে দেখা গেছে, ২০০৮ সালে দেশটিতে অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে সাতটি৷ কিন্তু এক বছর যেতে না যেতেই এই ঘটনার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৷ আর চলতি বছরের তিন মাসে এ ধরণের ঘটনা ঘটেছে ১০টি৷

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এই সন্ত্রাসের মাত্রা তুলনামূলকভাবে

Acid Survivor Foundation

পৃথিবীর যে কোন দেশের চেয়েও কয়েকগুন বেশি৷ এই তিন দেশ ইতিমধ্যেই এ সংক্রান্ত আইন প্রনয়ণ করেছে৷ খোলা বাজারে অ্যাসিড বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷ লাইসেন্স ছাড়া কোন ব্যক্তি অ্যাসিড কিনতে পারবে না এমন কথা বলা হয়েছে এই আইনে৷ বাংলাদেশে অ্যাসিড অপরাধ দমন আইন ২০০২ অনুসারে এসিড নিক্ষেপের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড৷ জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার অ্যাসিড নিক্ষেপ বন্ধ করতে এই সাজা বাড়ানোর জন্য আইন সংশোধন করছে৷ এই লক্ষ্যে চলতি মাসের প্রথমার্ধে সংসদে 'অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০১০' বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে৷

ক্যাম্বোডিয়ার পুলিশের এক জেনারেল এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ওয়ুক কিমলেক জানিয়েছেন, তারা ইতিমধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারতের কাছ থেকে আইনের কপি সংগ্রহ করেছেন৷ এগুলো এখন পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে৷ আগামী কিছু দিনের মধ্য এই আইন চূড়ান্ত করা যাবে বলে তাঁর আশা৷ তিনি বলেন, নতুন এই আইনে লাইসেন্স ছাড়া কারও কাছে অ্যাসিড বিক্রি বা কেউ ক্রয় করতে পারবে না৷ আর এই লাইসেন্সধারীর বয়স হতে হবে ২০ বছরের বেশি৷ খসড়া আইনে অ্যাসিড নিক্ষেপকারীকে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদন্ডের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে৷ তাছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা তো রয়েছেই৷

মানবাধিকার সংগঠনগুলো নতুন এই আইন প্রণয়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন৷ অ্যাসিড সার্ভাইভার্স চ্যারিটির কর্মকর্তা জিয়াদ স্যাম্মেন জানিয়েছেন তারা এই আইন প্রণয়নে সরকারকে সকল ধরণের সহায়তা প্রদান করবেন৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়