1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অ্যাপলের বকেয়া কর নিয়ে জোর বিতর্ক

ইউরোপীয় ইউনিয়ন আয়ারল্যান্ডকে অ্যাপল কোম্পানির কাছ থেকে ১,৩০০ কোটি ইউরো বকেয়া কর আদায় করতে বলার পর থেকে আন্তঃ অতলান্তিক অর্থনৈতিক সম্পর্কে ঘনঘটা৷

ঘনঘটা কেন, এমনকি বাস্তব হানি ঘটতে পারে, এমন কথা বলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ অ্যাপলের সিইও টিম কুক বলেছেন, আদালত ইইউ-এর নির্দেশ বাতিল করবেন, বলে তাঁর ধারণা ৷ অর্থাৎ অ্যাপলকে ১,৪৩০ কোটি ডলার বকেয়া কর ফেরৎ দিতে হবে না৷

কুক ইউরোপীয় ইউনিয়নের রায়কে ‘‘ইইউ সদস্য দেশগুলির নিজের কর ব্যবস্থা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সার্বভৌম অধিকারের উপর একটি বিধ্বংসী আক্রমণ'' হিসেবে বর্ণনা করেছেন, অনুরূপভাবে আয়ারল্যান্ডের অর্থমন্ত্রী মাইকেল নুনান ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা কমিশনের তরফে ‘রাজনীতি করার প্রচেষ্টার' কথা বলেছেন৷

ইইউ-এর প্রতিযোগিতা কমিশনার মার্গেটে ভেস্টাগার বলেছেন, আয়ারল্যান্ড অ্যাপলকে যে পক্ষপাতিত্ব দেখিয়েছে, তার ফলে অ্যাপল ইউরোপে তাদের মুনাফার উপর ২০০৩ সালে বাস্তবিক কর্পোরেট ট্যাকস দিয়েছে এক শতাংশ, ২০১৪ সালে যা কমে দাঁড়িয়েছে ০.০০০৫ শতাংশে৷

ভেস্টাগার মঙ্গলবার ব্রাসেলসে তাঁর সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, ‘‘সদস্যদেশগুলি কিছু বাছাই করা কেম্পানিকে কর সংক্রান্ত অন্যায় সুযোগসুবিধা দিতে পারে না'', তা তারা ইউরোপীয় কোম্পানি হোক বা বিদেশি কোম্পানি হোক, বড় হোক বা ছোট হোক৷

ইউরোপীয় ইউনিয়ন গুগল, অ্যামাজন বা ম্যাকডোনাল্ডসের মতো মার্কিন কোম্পানির বিরুদ্ধেও অ্যান্টি-ট্রাস্ট বা একচেটিয়া ব্যবসা করা সংক্রান্ত অনুসন্ধান চালাচ্ছে৷ গত অক্টোবর মাসে ইইউ মার্কিন কফি বিক্রেতা স্টারবাকসকে নির্দেশ দেয়া হয় তারা যেন নেদারল্যান্ডসকে তিন কোটি ইউরো বকেয়া কর ফেরৎ দেয়৷

ওদিকে আন্তঃ অতলান্তিক বাণিজ্য চুক্তি টিটিপ নিয়েও টানাপোড়েন শুরু হয়েছে৷ এই পরিস্থিতিতে অ্যাপলের বকেয়া কর নিয়ে বিরোধ পরিবেশকে আরো তিক্ত করতে পারে৷ হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জশ আর্নেস্ট বলেছেন, মঙ্গলবারের রায়ের ফলে আন্তর্জাতিক কর ব্যবস্থাকে ন্যায্য করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয়দের সঙ্গে মিলে যে প্রগতি করেছে তা বিপন্ন হতে পারে৷

হুমকির সেখানেই শেষ নয়৷ মার্কিন ট্রেজারির এক মুখপাত্র বলেছেন, এই রায়ের ফলে ইউরোপে বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসার পরিবেশ এবং ‘‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের গুরুত্বপূর্ণ মনোভাব'' বিপন্ন হতে পারে৷

দৃশ্যত তাতে ভয়ের কিছু নেই৷ তুরস্কের উপপ্রধানমন্ত্রী মেহমেত সিমসেক টুইট করেছেন, ‘‘অ্যাপলের তুরস্কে আসা উচিত৷ (আমরা) খুশি হয়ে উদারতর সুযোগসুবিধা দেব৷ (অ্যাপলকে) ইউরোপীয় আমলাতন্ত্র নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে না৷''

এসি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি, ডিপিএ, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়