1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

অস্ত্রোপচার শেষে দেশে ফিরলেন আজম খান

সফল অস্ত্রোপচার শেষে দেশে ফিরলেন বাংলাদেশের পপ গুরু আজম খান৷ মুখ গহ্বরের ক্যান্সারে আক্রান্ত মুক্তিযোদ্ধা-শিল্পী আজম খান সিঙ্গাপুরে অস্ত্রোপচার শেষে মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় পৌঁছান৷

default

তিনি এখন প্রায় সুস্থ৷ তবে থেরাপি নেওয়ার জন্য সেপ্টেম্বর মাসে আবারও সিঙ্গাপুর যেতে হবে বলে পারিবারিক সূত্রের খবর৷ তাঁকে থেরাপি দেওয়া শুরু হবে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে৷ মুখ গহ্বরে ক্যান্সার ধরা পড়ার পর ১৪ জুলাই তিনি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান৷ মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তাঁর সফল অস্ত্রোপচার করা হয় ২১ জুলাই৷

কিংবদন্তি এই পপ শিল্পীর পুরো নাম মাহবুবুল হক খান৷ তবে সবার কাছে পরিচিত আজম খান হিসেবে৷ জন্ম ১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আজিমপুরের ১০ নং কলোনিতে৷ ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানের সময় আজম খান পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন৷ তখন তিনি ‘ক্রান্তি’ শিল্পী গোষ্ঠী'র সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে গণসঙ্গীত প্রচার করেন৷ ১৯৭১ সালে আজম খানের বাবা আফতাব উদ্দিন খান সচিবালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছিলেন৷ বাবার অনুপ্রেরণায় যুদ্ধে যাবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন আজম খান৷ মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকায় সংঘটিত কয়েকটি গেরিলা অভিযানে তিনি অংশ নেন৷

বিয়ে করেছিলেন ১৯৮২ সালে৷ স্ত্রী মারা যাবার পর থেকে একাকী জীবন এই প্রথিতযশা শিল্পীর৷ আজম খান দুই মেয়ে এবং এক ছেলের জনক৷ আজম খানের কর্মজীবনের শুরু প্রকৃতপক্ষে ৬০ দশকের শুরুতে৷ ৭১ এর পর তাঁর ব্যান্ড ‘উচ্চারণ' এবং আখন্দ ভ্রাতৃদ্বয় দেশব্যাপী সঙ্গীতের জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করে৷ প্রথম কনসার্ট সম্প্রচারিত হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১৯৭২ সালে৷

‘এতো সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রে' আর ‘চার কালেমা সাক্ষী দেবে' গান দুটি সরাসরি প্রচারিত হয় বিটিভিতে৷ ব্যাপক প্রশংসা আর তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দিলো এ দুটো গান৷ দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়ে গেলো তাদের দল৷ আজম খান ১৯৭৪-১৯৭৫ সালের দিকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘রেললাইনের ঐ বস্তিতে' গান গেয়ে হইচই ফেলে দেন৷ আজম খানের গানের ১৭টি একক অ্যালবাম রয়েছে৷ রয়েছে অনেক মিশ্র অ্যালবামও৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন