1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

অস্ট্রেলিয়া জিমবাবওয়েকে হারাল ফাঁকা স্টেডিয়ামে

মাত্র দশ হাজার দর্শক, অথচ স্টেডিয়ামে ধরে তার পাঁচ গুণ৷ এবং ভারতের যে শহরে খেলা, সেই আহমেদাবাদে চল্লিশ লক্ষ মানুষের বাস৷ সেখানে ক্রিকেটমোদীদের সংখ্যা এ্যাতো কম হতে পারে না৷

default

ম্যাচের একটি মুহূর্ত

বস্তুত ক্রিকেট হল উপমহাদেশের ধ্যান-জ্ঞান-প্রাণ৷ কিন্তু সেই সঙ্গে দৃশ্যত যুক্ত হয়েছে জাতীয়তাবাদ৷ অর্থাৎ খেলাই যদি দেখতে হয়, তো নিজের দেশের টীমের খেলা দেখব৷ কিন্তু এই মনোভাব নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বের স্নায়বিক কেন্দ্রে পরিণত হওয়া সম্ভব নয়, এবং সে দাবি তোলা নিরর্থক৷ বিশ্বকাপ ফুটবলের উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে৷ সেখানে লোকে সেরা দল এবং সেরা খেলোয়াড়দের দেখতে পেয়ে খুশী হয়৷ নিজের দেশের দলের প্রতি সমর্থন তো থাকবেই৷ কিন্তু দেশপ্রেম ফুটবলপ্রীতিকে টেক্কা দিয়ে যেতে পারে না৷

উপমহাদেশে ক্রিকেট বিশ্বকাপ৷ অথচ শ্রীলংকার উদ্যোক্তাদের সোমবার ঘোষণা করতে হয়েছে যে, যে সব ম্যাচে কুমার সাঙ্গাক্কারার প্লেয়াররা সশরীরে মাঠে নেই, সে সব ম্যাচের টিকিটের দাম বিপুলভাবে কমিয়ে দেওয়া হবে৷ - ওদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট পরিষদ আইসিসি ভাবছে আহমেদাবাদে উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টিকিট চেয়ে নিয়ে সেগুলো রেডিও'য় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাঁটোয়ারা করা, তা'ও আবার স্টেডিয়ামে এলে টেলিভিশন সেট কি মোটরবাইক জেতার প্রলোভন দেখিয়ে৷ - আর ভারতে আয়োজকরা তো শেষমেষ ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ক্যারিবিয়ানের পন্থায় বাস করে স্কুলের ছেলেমেয়েদের মাঠে এনে স্টেডিয়াম ভরানোর কথা ভাবছেন৷

আবার লোকে যেমন সিনেমা দেখতে যাব বলে যে কোনো সিনেমা হলে যে কোনো ছবিতে গিয়ে ঢোকে না, সেরকম ক্রিকেট ম্যাচেরও হিট এবং ফ্লপ থাকবে - অভিনেতাদের কারণে, রোমাঞ্চের কারণে৷ আইসিসি যখন ওয়েবসাইট খুলে ঘোষণা করলেন যে, দোসরা এপ্রিল মুম্বই'এর ফাইনালের এক হাজারটা টিকিট ফার্স্ট কাম, ফার্স্ট সার্ভড ভিত্তিতে বিক্রি করা হবে, তখন সেই ওয়েবসাইট ক্র্যাশ করতে বেশি সময় লাগেনি৷ কোটি কোটি ফ্যান এক সঙ্গে লগ অন করতে চেয়েছিলেন৷ কাজেই অস্ট্রেলিয়া যখন এর পরে পাকিস্তান, শ্রীলংকা এবং নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলবে, তখন স্টেডিয়াম খালি না থাকারই সম্ভাবনা৷

প্রতিবেদন: অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

সম্পাদনা: জাহিদুল হক