1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অস্ট্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর ইউরোপে স্বস্তি

ফ্যান ডের বেলেন-এর জয়ের পর ইউরোপের একাধিক রাজনীতিক এই ফলাফলকে স্বাগত জানিয়েছেন৷ জার্মান প্রেসিডেন্ট ইওয়াখিম গাউক বিজয়ীকে একজন ‘প্রতীতিসম্পন্ন ইউরোপীয়' বলে অভিহিত করেছেন৷

অর্থনীতির অধ্যাপক ও অস্ট্রিয়ার সবুজ দলের সাবেক প্রধান, ৭২ বছর বয়সি আলেক্সান্ডার ফান ডেয়ার বেলেন ৫০ দশমিক ৩ বনাম ৪৯ দশমিক ৭ শতাংশ ভোটে, আরেকভাবে বলতে গেলে, মাত্র ০.৬ শতাংশ ভোট বা মোট ৩১ হাজারের মতো ভোটে জিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন৷ প্রতিপক্ষ, কট্টর দক্ষিণপন্থি ‘স্বাধীনতা দল'-এর প্রার্থী নরব্যার্ট হোফার ফান ডেয়ার বেলেন-এর চেয়ে বয়সে প্রায় ৩০ বছরের ছোট৷ ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগেও জরিপে ফান ডেয়ার বেলেন-এর চেয়ে ১৪ শতাংশ ভোটে এগিয়ে ছিলেন হোফার৷ গত এপ্রিল মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্বেও জয়ী হয়েছিলেন হোফার৷ কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাঁকে ধরে ফেললেন ফ্যান ডের বেলেন; শুধু ধরে ফেলাই নয়, পিছনে ফেলে দিলেন পত্র মারফত যে প্রায় নয় লাখ ভোট পড়েছিল, সেগুলির কল্যাণে৷ ফান ডেয়ার বেলেন-এর জেতার আরো একটা কারণ, ৬০ শতাংশ মহিলা তাঁর পক্ষে ভোট দিয়েছেন, যেমন হোফারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৬০ শতাংশ পুরুষ৷

ফান ডেয়ার বেলেনের জয়ে ইউরোপের অধিকাংশ রাজনীতিক যে খুশি, তার প্রমাণ জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাংক-ভাল্টার স্টাইনমায়ারের উক্তি, জার্মান ফরেন অফিস যা টুইট করেছে৷ স্টাইনমায়ার বলেছেন, ‘‘সমগ্র ইউরোপ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে৷''

ইউরোপ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও, অস্ট্রিয়াবাসীরা কিছুটা দ্বন্দ্বে পড়েছেন বৈকি৷ পুরোপুরি দ্বিধাবিভক্ত দেশ, যার প্রমাণ, এক পর্যায়ে সবুজ আর কট্টর দক্ষিণপন্থি প্রার্থী দু'জনেই ৫০ শতাংশ করে ভোট নিয়ে বসে ছিলেন৷ ভোটের দিন সন্ধ্যায় এরকম অচলাবস্থা সাধারণত দেখা যায় না৷ কাজেই টুইটারে একটি মন্তব্য হলো, অস্ট্রিয়ায় গণতন্ত্রের পেয়ালাটি কি আধা ভর্তি, না আধা খালি? তাই নিয়েই চিন্তা৷

আরেক চিন্তা, আগামীতে চ্যান্সেলর, অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে কী হবে, কেননা, অস্ট্রিয়ায় যে দু'টি দল এ যাবৎ সরকার চালিয়ে এসেছে, সেই সামাজিক গণতন্ত্রী দল অথবা তাদের একাধারে প্রতিপক্ষ ও সহযোগী রক্ষণশীল পিপলস পার্টি এই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পার্শ্বচরিত্রেরও ভূমিকা নিতে পারেনি৷ অথচ উদ্বাস্তু সংকট তথা ইউরোপ বিমুখিতার হাওয়া যে অস্ট্রিয়ার রাজনীতিকে পাল্টে দিতে বসেছে,তাতে কোনো সন্দেহ নেই৷ ওদিকে ফান ডেয়ার বেলেন-এর জয়ে যারা সবচেয়ে বেশি আশ্বস্ত হয়েছেন, তাদের মাঝে অস্ট্রিয়ায় বসবাসরত বিদেশিরাও রয়েছেন৷

এসি/এসিবি (ডিপিএ, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন