1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

অলিম্পিক আয়োজনে অনীহা বাড়ছে

বিশ্বকাপ ফুটবলের পর এবার অলিম্পিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের দায়িত্ব বণ্টনের প্রক্রিয়া নিয়েও বিতর্ক দানা বাঁধছে৷ ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজনের দৌড় থেকে চারটি শহর সরে দাঁড়িয়েছে৷

প্রথমে সুইডেনের স্টকহোম, তারপর একে একে ইউক্রেনের লভিভ, পোল্যান্ডের ক্রাকভ এবং সবশেষে নরওয়ের অসলো শহর৷ ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজনের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েও পিছিয়ে এলো এই চারটি শহর৷ থেকে গেল শুধু কাজাকস্তানের আলমাটি ও চীনের বেইজিং শহর৷

বলা বাহুল্য, এমন পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর৷ আইওসি নরওয়ের এই তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে৷ তাদের মতে, সে দেশের রাজনীতিকরা অর্ধসত্য ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে থেকেই নরওয়ের সংবাদমাধ্যমে আইওসি-র চুক্তির পূর্বশর্ত সম্পর্কে অনেক চর্চা চলছিল৷ যেমন দাবি করা হচ্ছিল, যে হোটেলের ঘরের তাপমাত্রা থেকে শুরু করে অলিম্পিক কর্মীদের মুখের হাসি – সবই নাকি স্থির করে দেওয়া আছে৷ ককটেল প্রোটোকল, হোটেল বার ভর্তি মদ, দেশের রাজার সঙ্গে দেখা করার সুযোগের মতো শর্তও নাকি চাপানো হবে নরওয়ের উপর৷

এমন সব প্রতিবেদন পড়ে দেশের জনমতও অলিম্পিক আয়োজনের বিরুদ্ধে যেতে শুরু করে৷ ফলে সরকারকেও নড়েচড়ে বসতে হয়৷ সম্ভবত এত বিরোধিতার মুখেই অলিম্পিক আয়োজনের প্রচেষ্টা ছেড়ে দেয় নরওয়ের সরকার৷

আইওসি এখন আত্মপক্ষ সমর্থনে বলছে, সব বিষয় মোটেই শর্ত হিসেবে চাপানোর কথা বলা হয়নি৷ এর মধ্যে অনেকগুলিই ছিল শুধু পরামর্শ৷ অতীতে যে সব শহর অলিম্পিক আয়োজন করেছে, তাদের কিছু পদক্ষেপেরও তালিকা রয়েছে৷ নরওয়েজিয়ান অলিম্পিক কমিটির মহাসচিব ইঙে আন্ডারসেন রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছেন৷ তিনি বলেন, এই প্রথম আইওসি ম্যানুয়াল প্রকাশ্যে পেশ করা হয়েছে৷ ইউরোপ, অ্যামেরিকা বা ক্যানাডার মতো দেশ যাতে সেটা বুঝতে পারে, আইওসি-কে তা নিশ্চিত করতে হবে বলেও তিনি মনে করেন৷ সোশাল মিডিয়ার এই যুগে স্বচ্ছতা অত্যন্ত জরুরি, বলেন আন্ডারসেন৷

আন্ডারসেন এ প্রসঙ্গে মনে করিয়ে দেন, অলিম্পিক আয়োজনের ক্ষেত্রে ব্যয়ভারও একটা বড় বিষয়৷ ২০১৪ সালে রাশিয়ার সোচি-তে শীতকালীন অলিম্পিকে প্রায় ৫,০০০ কোটি ডলারের ব্যয়ভার দেখে অনেকেই শঙ্কিত হয়ে পড়েছে৷ তবে সোচি-কে যেভাবে প্রায় নতুন করে গড়ে তুলতে হয়েছিলো, অন্যান্য শহরের ক্ষেত্রে এমন বাড়তি ব্যয়ভারের আশঙ্কা নেই বলে তিনি মনে করেন৷

এসবি/ডিজি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন