1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

অর্ধনগ্ন হয়ে প্রতিবাদ, শাস্তি, প্রতিবাদেও অসন্তোষ

একটি শব্দ দেয়ালে লেখায় জেলে যাওয়া, প্রতিবাদে নগ্ন হওয়া৷ অপরাধ, শাস্তি, প্রতিবাদ – সবই যেন বিতর্কিত তিউনিশিয়ায়৷ নগ্ন হয়ে প্রতিবাদ জানানো তিন ইউরোপীয় তরুণীকে চার মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত৷

ফ্রান্সের পাউলিন অলিয়ের এবং মারগারিয়েতে স্তেয়ার্ন আর জার্মানির জোসেফিন মার্কমান – ১৯ থেকে ২৭ বছর বয়সি এই তিন তরুণী তিউনিসে প্রতিবাদ জানাতে গিয়েছিলেন শুধু ডেনিমের একটা শর্টস প'রে৷ গতমাসের এ ঘটনা তখনই বেশ সাড়া জাগিয়েছিল৷ তিনজনই ‘ফেমেন'-এর সক্রিয় সদস্য৷ ইউক্রেনের নারীবাদী সংগঠন ‘ফেমেন' যেখানে বিতর্ক, অল্পতেই ব্যাপক প্রচার – এসব তো থাকবেই৷ অনেক সময় প্রতিবাদের কারণটাও হয়ে যায় গৌণ৷ তিউনিশিয়াতেও যেন তা-ই হচ্ছে৷ আমিনা টাইলার নামের তিউনিশীয় যে তরুণী দেয়ালে শুধু ‘ফেমেন' শব্দটি লেখার অপরাধে জেলে গেলেন, যাঁর কারণে ‘ফেমেন'-এর তিন কর্মী সুদূর ইউরোপ থেকে প্রতিবাদ জানাতে গেলেন মুসলিম অধ্যূষিত দেশে এখনো বেমানান এক ভঙ্গিতে, সেই মেয়ের কথা এখন আর তেমন করে আসছে না সংবাদ মাধ্যমে৷

Prozess Femen-Aktivistin Amina Tyler

ফেমেন সদস্যদের প্রতিবাদ

তাই তিউনিশিয়ার আদালত জনগণের নীতিবোধে আঘাত করা এবং অশোভন আচরণ করার অপরাধে তিন তরুণীকে চার মাস একদিনের কারাভোগের আদেশ দেয়ার পর সেই আমিনা একেবারেই আলোচনায় নেই৷ বরং খোলা বুকে আড়াআড়িভাবে ‘আমিনাকে ছেড়ে দাও'-এর পাশাপাশি ‘নীতিবোধ গোল্লায় যাক' – এ কথা লিখে প্রতিবাদ জানানো তরুণীদের ‘কঠোর শাস্তি' দেয়ার কারণেই বইতে শুরু করেছে উদ্বেগ আর প্রতিবাদের হালকা স্রোত৷ ‘ফেমেন'-এর নেত্রী ইনা শেভচেঙ্কো মনে করেন, আদালতের এমন শাস্তি ঘোষণায় তিউনিশিয়া আরো প্রতিবাদমুখর হবে৷ আরব বসন্তের পরও তিউনিশিয়ার এই পরিস্থিতি দেখে তিনি হতাশ, গভীর হতাশা থেকে বলেছেন, ‘‘আরব বসন্ত কোন দিকে যাচ্ছে এখন আমরা বুঝতে পারছি৷ কোনো দেশ স্বাধীন হলে নারীদের স্বাধীনতার বিষয়টিকে সবার আগে রাখতে হয়, অথচ এরা নারী স্বাধীনতাকেই ভয় পায়৷''

মুসলিম প্রধান দেশ তিউনিশিয়ার সাধারণ মানুষ ‘ফেমেন'-এর প্রতিবাদের ধরনকে কতটা ভালো চোখে দেখছে জানা যায়নি৷ বার্তা সংস্থা ডিপিএ জানিয়েছে, এমন প্রতিবাদ তাঁদের খুব অপছন্দ, তাঁরা মনে করেন, পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে সীমিত জ্ঞান নিয়ে ইউরোপীয়দের আরব নারী বাঁচানোয় উদ্যোগী হওয়ার দরকার নেই৷

এসিবি/ডিজি (রয়টার্স, ডিপিএ)  

নির্বাচিত প্রতিবেদন