1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অযোধ্যা-রায় পরবর্তী নীতি কৌশল নিয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ বৈঠক

অযোধ্যা-রায়ের পরবর্তী দলীয় নীতি কৌশল স্থির করতে মঙ্গলবার নতুনদিল্লিতে বসে কংগ্রেস কর্মসমিতির বৈঠক৷ অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ছিলেন দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও প্রধানমন্ত্রী ড.মনমোহন সিং৷

default

অযোধ্যা-রায়ের প্রভাব পড়েছে বাচ্চাদের ওপরও

সুপ্রীম কোর্টের রায়ে হোক কিংবা আপোশ আলোচনার মাধ্যমে হোক, যে-কোন সমাধানকেই কংগ্রেস স্বাগত জানাবে৷

অযোধ্যার রামজন্মভূমি-বাবরি মসজিদের বিতর্কিত জমির মালিকানা মামলার রায়ের পর কংগ্রেস কী অবস্থান নেবে, তাই নিয়ে আজ বসে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক৷ বৈঠক শেষে কংগ্রেস মুখপাত্র জনার্দন দ্বিবেদি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দল হাইকোর্টের রায় মেনে নিয়েছে৷ তবে সুপ্রীম কোর্টে আপীল করা হলে সেক্ষেত্রে চূড়ান্ত রায়ের জন্য কংগ্রেস পার্টি অপেক্ষা করবে৷ পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসার উদ্যোগকেও স্বাগত জানাবে কংগ্রেস৷

Indien Ayodhya Moschee Flash-Galerie Kultureller Wiederaufbau

মসজিদ থেকে মন্দির - বাবরি মসজিদ

অর্থাৎ ‘সাপও মরে আবার লাঠিও না ভাঙে' অবস্থান৷ বাবরি মসজিদ ভাঙার ইস্যুতে বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে কংগ্রেস মুখপাত্র বলেন, এই রায়ে কোনমতেই বাবরি মসজিদ ভাঙার অপরাধকে ক্ষমা করা হয়নি৷ অপরাধীকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে৷ সঙ্গে সঙ্গে বিজেপির প্রতিক্রিয়া, বারংবার এই রায়ের সঙ্গে বাবরি মসজিদ ভাঙার বিষয়টিকে যুক্ত করার কোন মানে হয়না৷ ওটা ভিন্ন ইস্যু এবং বিচারাধীন৷ আসলে বাবরি মসজিদ ধ্বংস নিয়ে বিজেপিকে চাপে রাখাই কংগ্রেসের কৌশল৷ এই রায় নিয়ে বিজেপিকে কোন ভাবেই রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে দিতে চায়না কংগ্রেস৷

এই প্রসঙ্গে সিপিআই-এমের শীর্ষ নেতা নীলোৎপল বসু ডয়চে ভেলেকে বলেন, আপোশ-মীমাংসার সুযোগ সবসময়ই থাকে৷ কিন্তু ৬০ বছরে যার সমাধান হয়নি, এবার তা হবে বলে মনে হয়না৷ এই রায়ের মধ্যে অনেক কিছু আছে, যেখানে বিশ্বাসকে আইনের ওপরে স্থান দেয়া হয়েছে, যেটা সাধারণভাবে আমাদের যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আছে, ধর্মনিরপেক্ষ ভিত্তি আছে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়৷ এর নিষ্পত্তি রাজনৈতিক দলগুলো করতে পারবে না, সুপ্রীম কোর্টেই তার মীমাংসা হবে৷ তবে আশার কথা, আলাপ আলোচনার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাতে সাম্প্রদায়িক অশান্তিকে ঠেকানো গেছে৷ এটাই বড় কথা৷

প্রতিবেদন: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুনদিল্লি

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়