1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

অভিষেক বচ্চনের দলে সেই মাতেরাজ্জি!

জিনেদিন জিদানের ২০০৬ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে তাঁর কারণে৷ তাঁর কারণেই আবার ইটালি জিতেছিল জার্মানিতে অনুষ্ঠিত ২০০৬ বিশ্বকাপ৷ ভারতে সাড়া জাগানো টুর্নামেন্ট আইএসএল-এ খেলতে আসছেন সেই মার্কো মাতেরাজ্জি৷

ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল)-এর এক মুখপাত্র জানান, আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই ভারতে আসবেন মাতেরাজ্জি৷ বলিউড তারকা অভিষেক বচ্চনের দল চেন্নাইয়ের সঙ্গে খেলোয়াড় এবং কোচ হিসেবে যোগ দেবেন তিনি৷ কয়েকদিন আগে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের চমকে দিয়েছিল এফসি গোয়া দলে কোচ হিসেবে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি জিকোর যোগ দেয়ার খবর৷ ২০০৬ বিশ্বকাপজয়ী ইটালি দলের ফরোয়ার্ড দেল পিয়েরোর দিল্লি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে যোগ দেয়ার খবরেও চমক ছিল৷ তবে সব চমক বোধহয় ম্লান হয়ে গেল মাতেরাজ্জির চেন্নাই দলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার খবরে৷ রক্ষণভাগের খেলোয়াড়রা সাধারণত পাদপ্রদীপ থেকে দূরেই থাকেন৷ মাতেরাজ্জি ব্যতিক্রম৷ যেখানেই যান, প্রচারমাধ্যম খুঁজে নেয় তাঁকে৷

খুঁজে নেয়ার কারণ শুধু ইটালিকে বিশ্বকাপ জেতানো নয়৷ ২০০৬-এর আগেও তিনবার (১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২) বিশ্বকাপ জিতেছে ইটালি৷ কিন্তু কোনো ডিফেন্ডারকে নিয়ে সিকিভাগ মাতামাতি হয়েছে কিনা সন্দেহ৷

২০০৬-এর ৮ বছর পরও মাতেরাজ্জি আলোচনা-সমালোচনায় আছেন, থাকবেনও বহুকাল৷ বার্লিনে অনুষ্ঠিত ফাইনালে তাঁর ফাউলের কারণেই পেনাল্টি পেয়েছিল ফ্রান্স৷ পেনাল্টিতে গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়েছিলেন জিনেদিন জিদান৷ ইটালি সমতা ফেরালেও ম্যাচে ফ্রান্সেরই প্রাধান্য ছিল৷ কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে ঘটে বিস্ময়কর এক ঘটনা৷ বুকে ঢুঁশ মেরে মাতেরাজ্জিকে ফেলে দেন জিদান৷ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে৷ ১০ জনের দল ফ্রান্স কোনোরকমে অতিরিক্ত সময় পার করলেও টাইব্রেকারে হার (৫-৩) এড়াতে পারেনি৷

পরে জিদান বলেছেন, তাঁর বোনকে নিয়ে মাতেরাজ্জি বাজে কথা বলায় মেজাজ হারিয়ে ফেলার কারণেই বিশ্বকাপ ফাইনালে লাল কার্ড দেখার মতো কাণ্ড করতে বাধ্য হয়েছিলেন৷

আইএসএল-এ জিকো, দেল পিয়েরো, মাতেরাজ্জির আগেও যোগ দিয়েছেন বেশ কয়েকজন সাবেক তারকা৷ ইটালির আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো, ফ্রান্সের দাভিদ ত্রেজেগে এবং রোব্যা (রবার্ট) পিরেস, স্পেনের লুইস গার্সিয়া আর ইংল্যান্ডের ডেভিড জেমসও আছেন সেই তালিকায়৷

এসিবি/জেডএইচ (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন