1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অভিবাসন প্রত্যাশীদের কাছে জার্মানিই সবচেয়ে প্রিয়

অভিবাসী সংকটে ‘উদার নীতি' অবলম্বন করে নিজের দেশে বেকায়দায় পড়েছেন আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শরণার্থী নিয়েছে জার্মানি৷ তবে ম্যার্কেল সরকার কোণঠাসা৷ তারপরেও শরণার্থীদের সেরা আকর্ষণ জার্মানি৷

জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে৷ সেই প্রতিবেদন বলছে, জার্মানি অভিমুখে অভিবাসন প্রত্যাশীদের স্রোত গত বছর, অর্থাৎ ২০১৫ সালেই সবচেয়ে ব্যাপক ছিল৷ সদ্য শেষ হওয়া বছরটিতে রেকর্ড সংখ্যক শরণার্থী এসেছে৷ আগতদের মধ্যে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে অভিবাসী হতে চেয়ে আবেদন করেছেন ৪ লক্ষ ৭৬ হাজার ৬৪৯ জন৷ ২০১৪ সালে ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮১৫টি আবেদন জমা পড়েছিল৷ তবে ২০১৫ সালে জার্মানিতে মোট অভিবাসন প্রত্যাশী এসেছে ৪ লক্ষ ৭৬ হাজার ৬৪৯-এর চেয়ে অনেক বেশি৷

ধারণা করা হচ্ছে, সিরিয়া ও ইরাক সংকটের কারণে সে বছর ১১ লাখ মানুষ জার্মানিতে এসেছিল৷ সবচেয়ে বেশি অভিবাসন প্রত্যাশী এসেছে সিরিয়া থেকে৷ ১১ লাখের মধ্যে ৩৭ শতাংশই সিরীয়৷

তবে ২০১৪ সালে সবেচেয়ে বেশি অভিবাসন প্রত্যাশী এসেছিল জার্মানিতে৷ হিসেব বলছে, সে বছর মোট ১৪ লাখ ৬০ হাজার অভিবাসন প্রত্যাশী এসেছিল৷ ১৯৯২ সালের পর থেকে সেটাই ছিল এক বছরে শরণার্থী আগমনের সর্বোচ্চ রেকর্ড৷

আরেকটি বিষয় বেরিয়ে এসেছে, জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিবেদন থেকে৷ ২০১৫ সালে শরণার্থীদের স্রোত শুরুর পর জার্মানিতে বেকারত্বও কমেছে৷ প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার বেকার কমেছে ১ বছরে৷ অর্থাৎ রাজনৈতিক কারণে জনসংখ্যা বাড়ার ফলে কর্মজীবীর সংখ্যা বেড়েছে জার্মানিতে!

এভাবে জনসংখ্যা বাড়লেও অবশ্য অদূর ভবিষ্যতে দ্রুত জনসংখ্যা কমার আশঙ্কা কমেনি৷ এতকিছুর পরও নাকি ২০৬০ সালে জার্মানির জনসংখ্যা কমে ৭৩ লক্ষ ১০ হাজার হয়ে যেতে পারে! জার্মানির বর্তমান জনসংখ্যা ৮২ লক্ষ৷

বন্ধু, আপনিও কি সুযোগ পেলে জার্মানিতে আসতে চান? উত্তরটি ‘হ্যাঁ’ হলে জানান আপনার নিজস্ব কারণ, নীচে মন্তব্যের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়