‘অবৈধ বাংলাদেশি’ ধরতে আসামে নাগরিক তালিকা | বিশ্ব | DW | 29.12.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভারত

‘অবৈধ বাংলাদেশি’ ধরতে আসামে নাগরিক তালিকা

ভারতের আসাম বা অসমে রবিবার একটি নাগরিক তালিকা প্রকাশ করা হবে৷ অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরতে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী৷

‘ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেন্স' বা এনআরসি নামের ঐ তালিকার খসড়া রবিবার প্রকাশ করবে রাজ্য সরকার৷ ‘‘আসামে বসবাসকারী অবৈধ বাংলাদেশিদের খুঁজে বের করতে এই তালিকা তৈরি হয়েছে,’’ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী হিমান্ত বিশ্ব শর্মা৷ এনআরসি প্রকল্পেরও প্রধান তিনি৷ ‘‘তালিকায় যাদের নাম থাকবে না তাদের বিতাড়িত করতে হবে,’’ বলেন তিনি৷

তালিকা প্রকাশকে ঘিরে রাজ্যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশংকা করছে স্থানীয় সরকার৷ তাই নিরাপত্তা রক্ষায় সেখানে প্রায় ৬০ হাজার পুলিশ ও প্যারামিলিটার পাঠানো হয়েছে৷

এনআরসি তৈরিতে ১৯৫১ সালের পর প্রথমবারের মতো আসামে আদমশুমারি করা হয়৷ গতবছর প্রথমবারের মতো আসামের ক্ষমতায় বসে হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল বিজেপি৷ নির্বাচনি প্রচারণার সময় দলটি অবৈধ মুসলিমদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার অঙ্গীকার করেছিল৷ মুসলিমদের জন্য স্থানীয় হিন্দুরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হন বলে অভিযোগ হিন্দুদের৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

মুসলমান নেতারা বলছেন, মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের মতো তাদেরও রাষ্ট্রহীন করতে এনআরসিকে ব্যবহার করা হচ্ছে৷

নতুন দিল্লির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি৷

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, বিতাড়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে তাঁরা কিছু জানেন না৷ ‘‘আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক কোনোভাবেই ভারতের সরকারের কাছ থেকে আমরা এ ব্যাপারে কোনো তথ্য পাইনি,’’ রয়টার্সকে বলেন তিনি৷

ধারণা করা হয়, আসামে বিশ লক্ষেরও বেশি মুসলিম আছেন যাদের শেকড় বাংলাদেশে রয়েছে৷

নাগরিক হওয়ার শর্ত

ভারতের নাগরিক হতে আগ্রহীদের প্রমাণ দেখাতে হবে যে ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে থেকে তাঁরা বা তাঁদের পূর্বপুরুষ ভারতে বসবাস করছে৷ ‘‘আমার দাদা-দাদি, নানা-নানি, মা-বাবা সবাই ভারতে জন্মগ্রহণ করেছেন৷ কিন্তু আমরা এখন ভারতীয় হিসেবে আমাদের দাবির পক্ষে তথ্য উপস্থাপন করতে সমস্যায় পড়েছি৷ কারণ তাঁরা অশিক্ষিত ছিলেন৷ ফলে বৈধ তথ্যাদি রাখেননি,’’ বলেন আসিফুল রহমান৷ আসামের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন তিনি৷

উল্লেখ্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হাজার হাজার মানুষ ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন৷ তাঁদের বেশিরভাগই আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে বসতি গড়েছিলেন৷ পশ্চিমবঙ্গেও অবৈধ মুসলিম অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর দাবি রয়েছে৷

জেডএইচ/ডিজি (রয়টার্স)

২০১৫ সালের এই ছবিঘরটি দেখে নিন...

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়