1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘অবাক হচ্ছেন কেন? দেশে এখনো ৩টি চ্যানেল বন্ধ'

দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক এবং নির্বাহী সম্পাদক আর দৈনিক আমার দেশে-র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে আদালত৷ আদালত অবমাননার অভিযোগের আশঙ্কার কারণেই হয়ত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া খুবই কম৷

Symbolbild Pressefreiheit

প্রতীকী ছবি...

বৃহস্পতিবার খুব গুরুত্বপূর্ণ দু'টি মামলার রায় দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত৷ একটি মামলায় দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ এবং নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়কে আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে৷ অন্য মামলায় নিজস সম্পদের হিসেব না দেয়ায় দৈনিক আমার দেশ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের তিন বছরের কারাদণ্ড হয়েছে৷

জনকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ আতিকউল্লাহ খান মাসুদ এবং নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়কে এজলাসে বন্দি করে রাখার দণ্ড এবং প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ৷

গত ১৬ জুলাই জনকণ্ঠে ‘সাকার পরিবারের তৎপরতা: পালাবার পথ কমে গেছে' শিরোনামে একটি উপসম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়৷ নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়ের লেখা উপসম্পাদকীয়তে উল্লেখ করা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা আপিল বিভাগের রায় প্রদানকারী এক বিচারকের সঙ্গে দেখা করেছেন৷ ওই উপসম্পাদকীয়টির কারণেই গত ২৯ জুলাই আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে জনকণ্ঠের সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে রুল জারি করে তলব করেন৷ বৃহস্পতিবার এই মামলার রায় হয়েছে৷

টুইটারে খবরটি টুইট করেছেন অনেকে৷

তবে আতিকউল্লাহ খান মাসুদ এবং নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়ের মতো আদালত অবমাননার অভিযোগে অভিুক্ত হতে চান না বলেই রায় নিয়ে কেউ মন্তব্য করেননি৷

মাহমুদুর রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে৷ বৃহস্পতিবার ঢাকার বকশীবাজারের বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে এই রায় ঘোষণা করা হয়৷

মাহমুদুর রহমানের কাছে ২০১০ সালে সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক৷ তাতে সাড়া না দেওয়ায় দুদক-এর উপ-পরিচালক নূর আহম্মেদ গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন৷ সে বছরই ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হলেও অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে গতবছর বিচার শুরু হয়৷

তবে ২০১৩ সালের এপ্রিলে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকের কথিত স্কাইপ কথোপকথন প্রকাশ, রাষ্ট্রদ্রোহ ও ধর্মীয় উসকানির অভিযোগে আমার দেশ কার্যালয় থেকে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ তখন থেকেই তিনি কারাগারে৷ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার সময় কারাগার থেকে তাঁকে আদালতে নেয়া হয়েছিল৷

টুইটারে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডের খবরটিও অনেকেই শেয়ার করেছেন৷

এখানেও মন্তব্য খুব কম৷ তবে একজন লিখেছেন, ‘‘এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই৷ বাংলাদেশে কিন্তু তিনটি টিভি চ্যানেল বন্ধই আছে৷''

মাহমুদুর রহমানকে ‘স্পষ্টবাদী সম্পাদক' হিসেবেও উল্লেখ করেছেন তিনি৷

২০০৭ সাল পর্যন্ত মাহমুদুর রহমান ছিলে সরকারি আমলা৷ ২০০৮ সালে তিনি বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ফালুর মালিকানাধীন আমার দেশের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেন৷ তখন থেকে পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন মাহমুদুর রহমান৷

সংকলন: আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়