1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অবসর ভাতার সংস্কার চূড়ান্ত অনুমোদনের পথে

ফ্রান্সের বিতর্কিত অবসর ভাতা সংস্কার নিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে৷ সার্কোজি সরকার বাজেট ঘাটতি কমাতে এই পরিকল্পনা নিলেও, ছাত্র-শ্রমিকদের তাতে তীব্র আপত্তি৷ এদিকে, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সেনেটে অনুমোদন পেতে পারে এটি৷

default

ফ্রান্সে সরকারের সংস্কার কর্মসূচির প্রতিবাদে আন্দোলন চলছে

চলছে প্রতিবাদ

টানা আটদিন ধরে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ চলছে ফ্রান্সে৷ রাজধানী প্যারিস ছাড়াও আরো কয়েকটি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ৷ বৃহস্পতিবার মার্সেই বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয় প্রতিবাদকারীরা৷ এসময় প্রায় ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক আটকে দেয় লরি চালকরা৷ শিক্ষার্থী, শ্রমিক – সবাই সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে৷ ফলে ফ্রান্স কার্যত এখন অচল৷ সার্কোজি সরকারের অবসর ভাতার সংস্কারের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ৷ সরকার চায় সর্বনিম্ন অবসরের বয়স ৬০ বছরের বদলে ৬২ বছর করতে এবং সর্বোচ্চ সীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছরে বাড়িয়ে দিতে৷ সরকারের বক্তব্য, গড় আয়ু বেড়ে চলায় এবং জনসংখ্যার মধ্যে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়ার ফলেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে৷ কিন্তু ছাত্র-শ্রমিকরা তাতে রাজি নয়৷

এদিকে, প্রতিবাদরত সংগঠনগুলো আগামী ২৮ অক্টোবর এবং ৬ নভেম্বর জাতীয় পর্যায়ে ধর্মঘট-বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে৷ তাছাড়া চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও মত বিক্ষোভকারীদের৷ ১৫ বছর বয়সি ম্যাথিউ মিশেলের মন্তব্য, সংস্কার পরিকল্পনা আইনে রূপ নেওয়ার পরও আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো৷

Frankreich Proteste Oktober 2010 Flash-Galerie

অবসরের বয়স বাড়ানোর প্রতিবাদে আন্দোলন (ফাইল ফটো)

সেনেটে ভোটাভুটি

অবসর ভাতা সংক্রান্ত আইনের খসড়া ইতিমধ্যেই নিম্নকক্ষে অনুমোদন পেয়েছে৷ শুক্রবার ফ্রান্স সংসদের উচ্চকক্ষ বা সেনেটে এই সংক্রান্ত আইনের খসড়া নিয়ে ভোটাভুটির কথা রয়েছে৷ বর্তমান রক্ষণশীল সরকারের চাপের কারণেই দ্রুত বিষয়টি সেনেটে পৌঁছায়৷ আর সেখানে রক্ষণশীলদের পাল্লা ভারি হওয়ায় এই আইনের অনুমোদন এখন সময়ের ব্যাপার৷ এরপর আগামী সপ্তাহে সংসদের দুই কক্ষ সম্মিলিতভাবে চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ তবে বিরোধীরা কিন্তু আইনটি সেনেটে অনুমোদনের বিপক্ষে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে৷

ক্ষয়ক্ষতি'র পরিমাণ

বৃহস্পতিবার বিকেলে সেনেটে ক্ষয়ক্ষতির খানিকটা হিসেব দিয়েছেন সেদেশের পরিবেশমন্ত্রী জঁ-লুই বর্লো৷ তিনি বলেন, ফ্রান্সের ১২,৩০০টি পেট্রল পাম্পের মধ্যে ২,৭৯০টিতে তেল নেই৷ তাছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ১৪টি তেল ডিপো বন্ধ রেখেছে আন্দোলনকারীরা৷ তবে সার্কোজির কড়া নির্দেশে অন্য সাতটি তেলডিপো থেকে প্রতিবাদকারীদের জোর করে সরিয়ে নেয়া হয়েছে৷

এছাড়া, এয়ার ফ্রান্সের হিসেব অনুযায়ী, শ্রমিকদের কর্মবিরতির কারণে গত দু'মাসে সংস্থাটির ক্ষতির পরিমাণ আড়াই কোটি ইউরো৷ ধর্মঘট আর প্রতিবাদ বিক্ষোভের কারণে রাসায়নিক উৎপাদকদের দৈনিক ক্ষতির পরিমাণ দশ কোটি ইউরো৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন