অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশের কিছু সাংবাদিক | বিশ্ব | DW | 18.01.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশের কিছু সাংবাদিক

বাংলাদেশে সম্প্রতি সাংবাদিকদের অপরাধে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা সাংবাদিক সমাজকে ভাবিয়ে তুলেছে৷ তাঁরা বলছেন, পেশাগত সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতা বজায় রাখতে সাংবাদিকদেরও ঐক্যবদ্ধভাবে বিপথগামী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে৷

অডিও শুনুন 02:25
এখন লাইভ
02:25 মিনিট

'বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়, সাংবাদিকরা অপরাধে জড়াতে পারে’

রবিবার ময়মনসিংহ শহরের মাসকান্দা এলাকার একটি বাড়ি থেকে দু'টি বিদেশি পিস্তল ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির বিপুল সরঞ্জামসহ দু'জন সাংবাদিককে আটক করে পুলিশ৷ আটক শেখ মেহেদী হাসান ওরফে নাদিম ময়মনসিংহের সংবাদপত্র দৈনিক জাহানের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এবং মো. রাসেল মিয়া ঐ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কাজ করছিলেন৷

ময়মনহিংহের সাংবাদিক আশরাফ সিজেল ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আটক হওয়ার পর পুলিশের কাছে তারা অস্ত্র ব্যবসায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন৷ সাংবাদিকতার আড়ালে বাড়ির একটি অংশ অস্ত্র তৈরির কারখানা হিসাবে ব্যবহার করছিলেন তারা৷''

এদিকে গত ১৪ই ডিসেম্বর কক্সবাজারে ৪০ হাজার অবৈধ মাদক ইয়াবাসহ আটক হন বেসরকারি টেলিভিশন গাজী টিভির স্থানীয় সাংবাদিক মোহাম্মদ সেলিম ও তার স্ত্রী মুন্নি আক্তার৷ তারা গজী টিভির স্টিকার লাগানো একটি গাড়িতে করে ঐ ইয়াবা বহন করছিলেন৷ সেলিম একইসঙ্গে কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক কক্সবাজার বার্তার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক৷

কক্সবাজারের সাংবাদিক আবদুল আজিজ ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘মাদক চোরাচালানসহ আরো নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে কক্সবাজারের কিছু সাংবাদিক৷ তাদের বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগও করেছি এর আগে৷''

তিনি জানান, ‘‘এইসব সাংবাদিক একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় কাজ করেন৷ তারা বিপুল অর্থবিত্তের মালিক৷ বলা বাহুল্য, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভক্তির সুযোগ নেন তারা৷'' এই দু'টি উদাহরণের বাইরে আরো অনেক ঘটনার কথা প্রায়ই জানা যায়৷

অডিও শুনুন 02:37
এখন লাইভ
02:37 মিনিট

’মাদক চোরাচালানসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে কিছু সাংবাদিক’

সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সাংবাদিক নামধারী দু-একজনের অপকর্মের জন্য পুরো সাংবাদিক সমাজকে দায়ী করা ঠিক হবে না৷ আমরা দীর্ঘদিন ধরেই অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি৷ সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক কারা হবেন, তার জন্য নীতিমালা করার কথা বলছি৷ কিন্তু হচ্ছে না৷ যাদের টাকা আছে, তারাই মালিক বা সম্পাদক হচ্ছেন৷ আসলে প্রতিষ্ঠানগুলো যখন সাংবাদিক নিয়োগ দেয়, তখনি তাদের যাচাই-বাছাই করা উচিত৷''

তিনি বলেন, ‘‘সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা৷ এর গায়ে কালিমা লাগাতে দেয়া যাবে না৷ যারা সাংবাদিকতার নামে অপকর্ম করছে, তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া উচিত৷''

এ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. সফিউল আলম ভূঁইয়া ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকরা অপরাধে জড়াতে পারে৷ তবুও বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার কথা আমরা জানতে পারছি৷ সাংবাদিক সমাজের উচিত হবে তাদের প্রতিরোধ করা এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করা৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়