1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

অন্বেষণের সময় বাড়ানোর অনুরোধ

‘‘আমি ও আমার বন্ধু-বান্ধব মিলে ডয়চে ভেলের টিভি অনুষ্ঠান #অন্বেষণ দেখি, প্রতি সপ্তাহেই৷ এছাড়া ওয়েবসাইট ভিজিট করি, ফেসবুক পাতায় কমেন্ট করি৷ মানে সব মিলিয়ে সাথেই আছি ডিডাব্লিউ-র৷''

ঠিক এভাবেই লিখেছেন ডা. হান্নান৷ তাঁর কথায়, ‘‘ইদানীং নতুন কলেবরের ওয়েবসাইটটি চমৎকার লাগছে৷ এগিয়ে চলেছে আপনাদের সামাজিক মাধ্যম৷ ওয়েবসাইটে সুন্দর সুন্দর আকর্ষণীয় ছবি চাই, বিশেষ করে জার্মানির ইতিহাস, ঐতিহ্য, পর্যটন-এর নানা ছবি৷ #অন্বেষণের সময়টা একটু বাড়ানো যায় কী ভেবে দেখবেন৷ পাঠক বন্ধু মিজানুর রহমানের সাথে সুর মিলিয়ে আমিও প্রস্তাব রাখছি ‘স্মার্ট ফোন' পুরস্কার হিসেবে নির্ধারণ করবেন৷ সবার মঙ্গল কামনায় ডা. এস এম এ হান্নান, হরিপুর, পাবনা, বাংলাদেশ৷''

পরের ই-মেলটি এরকম, ‘‘ডয়চে ভেলের ছবিঘরে দেখলাম হল্যান্ডের একটি নৌকাবাড়ি৷ সে দেশে এমন নৌকাবাড়ির সংখ্যা ১০,০০০ বলে জানলাম প্রতিবেদনটি থেকে৷ বর্তমান বিশ্বে একটি আতঙ্কের নাম ইবোলা৷ এই ইবোলা নিয়েও আমাদের প্রিয় ডয়চে ভেলে নানা গুরুত্বপূর্ণ খবর পাঠকদের জানিয়ে সচেতন করছে৷ ডয়চে ভেলের সাথে থাকলে গোটা বিশ্বের খবর হাতের মুঠোয় থাকে৷ ‘দাবি পূরণে অন্যের মৃত্যু!' শিরোনামের প্রতিবেদনটি থেকে জানলাম লাইবেরিয়ার নার্সরা ‘বিশেষ ভাতা'-র পরিমাণ বাড়ানোর দাবিতে ইবোলা রোগীদের সেবা দেয়ার গতি কমিয়ে দিয়েছে৷ এ কারণে ইতিমধ্যে কয়েকজন ইবোলা রোগী মারাও গেছেন৷ এরপর বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফ্রাংকফুর্ট বইমেলার নানা খবর দিয়ে ডয়চে ভেলে পাঠকদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে৷ এম.এ. বারিক, ভাটরা, সিহালী, শিবগঞ্জ, বগুড়া, বাংলাদেশ৷

এই ই-মেলটি এসেছে কলকাতা থেকে, ‘‘পৃথিবীটা যদি খেরা সাধন গ্রাম হতো আপনাদের এই প্রতিবেদনটি পড়ে বেশ ভালো লাগলো৷'' ঠিক এভাবেই লিখেছেন পাঠক সুহৃত৷ তাঁর পরের বক্তব্য, ‘‘তবে আপনারা জানেন অখণ্ড ভারত ভাগ হওয়ার ইচ্ছা, অনেক ভারতবাসীরই ছিল না৷ দুই নেতার প্রচেষ্টায় আর ব্রিটিশদের একান্তিক কূটনীতি অনুসরণ করে ভারত ভাগ হয়ে গেল, যার পরিণতি আমরা আজও হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারি৷ ভারত ভাগ না হলে আজ এই অখণ্ড ভারতে মানুষরা জেহাদিতে পরিণত হত না৷ আমার মনে হয় এই ভাগ হয়ে উভয় ভূখণ্ডের জন্যই একটা চরম অবস্ছা সৃষ্টি করেছে৷ তবে এর শেষ পরিণতি ইতিহাস বলবে৷ আর একটা কথা জানাই, আমি মন্তব্যগুলো ইংরেজি হরফে লিখলে আপনাদের ‘ফিডব্যাক পোস্টিং' থেকে উঠিয়ে দেবেন না৷ কারণ আমি জৌগ্রাম থেকে পারিবারিক কারণে কলকাতায় বসবাস করছি৷ যে কারখানায় থাকি, সেখান থেকে বাংলায় লেখার ব্যবস্থা নেই৷ তবে এই কারখানায় খুব ভালো মেশিনপত্র আছে, যদি জার্মানির কিছু কারখানার সম্বন্ধে অবহিত করেন, ভালো হয়৷ এই কারখানার আন্তর্জাতিক কাজ করবার জন্য সব রকম ব্যবস্থাই আছে৷ আপনাদের সকলের কুশল কামনায়৷ সুহৃত ব্যানার্জি, গৌরিবাড়ি লেন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত৷''

- লেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ৷ সপ্তাহান্ত ভালো কাটুক, আনন্দে কাটুক – এটাই আমাদের সকলের প্রত্যাশা৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন