1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

অন্ধ মুরগিরা বেশি ডিম পাড়ে

যেসব হাঁস-মুরগিরা চোখে দেখতে পায়না তারা নাকি বেশি ডিম পাড়ে৷ বিজ্ঞানীরা কিন্তু এমন কথাই বলছেন৷ হাঁস-মুরগির খামার করছেন কিংবা খামার করার কথা ভাবছেন?

default

অন্ধ মুরগি ডিম পাড়ে বেশি (ফাইল ফটো)

তাহলে আপনার খামারের কোনো মুরগি যদি অন্ধ হয়, সেই বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে না দেখে ইতিবাচকভাবেই দেখুন৷ কেননা গবেষকদের কথায়, প্রাকৃতিকভাবে দৃষ্টিশক্তিহীন মুরগিরা অন্য মুরগিরা, অর্থাৎ যারা চোখে দেখতে পায়, তাদের চেয়ে বেশি ডিম পাড়ে৷

ভারতের ব্যাঙ্গালোরের প্রাণীপুষ্টি ও জীবনধারা বিষয়ক সংস্থা ‘এনআইএনপি' এই গবেষণাটি চালিয়েছে৷ তাঁরা দেখেছেন, স্মোকি জোয়েস নামের বংশানুক্রমিকভাবে অন্ধ, সাদা লেগোন মুরগিরা সাধারণ মুরগিদের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি ডিম পাড়ে৷ আর সেটা হয়, অন্যান্য মুগরির থেকে অনেক কম বয়সে৷ শোনা যায়, ২০০৮ সালে এই বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করা শেষ করেন তাঁরা৷ কিন্তু আলো কিভাবে ডিম পাড়াকে প্রভাবিত করে, তা বোঝার জন্য মাস কয়েক আগে আবারো গবেষণা শুরু করতে হয় তাঁদের৷ আর তারই ফলাফল বেরিয়ে আসে এবছরের জুলাই মাসে৷

‘এনআইএনপি'র তিনজন গবেষক আই জে রেড্ডি, জি রবি কিরণ এবং এস মন্ডল এই গবেষণাটি চালান৷ ঐ গবেষণায় বলা হয়, আলো কিভাবে ডিম পাড়ার ক্ষেত্রে পরিবর্তন নিয়ে আসে৷

গবেষণায় দেখা যায়, সাধারণত হাঁস-মুরগির খামারে যে ধরণের সাদা বাতি বা আলো ব্যবহার করা হয়, বাড়িতে পালন করা মুরগিদের একই ধরণের আলোর নীচে রেখে দেখা গেছে, এরা ৫২ সপ্তাহে প্রায় ৩০০টি ডিম পাড়ে৷ কিন্তু একইসময়ে এইসব মুরগিদেরই যদি লাল আলোকরশ্মি ও নীল আলোকরশ্মি দেওয়া হয়, তাহলে এরা ৫ শতাংশ এবং ৩ শতাংশ হারে বেশি ডিম পাড়ে৷

প্রাথমিক পর্যায়ে পাওয়া এই বিষয়গুলো প্রমাণ করার জন্য বিজ্ঞানীরা এরইমধ্যে দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছেন৷ এক বছরের মধ্যেই এটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ তারপর গবেষনার ফলাফল ‘এনআইএনপি'র মাধ্যমে পাঠানো হবে কৃষি মন্ত্রণালয়ে৷ আর এই গবেষণা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল খামারিদের সাহায্য করবে বলে আশা করছেন গবেষকরা৷ তাঁরা বলছেন, আলোকরশ্মির বিষয়টি ব্যবহার করে খামারের মুরগিগুলোর কাছ থেকে আরও বেশি ডিম পাওয়া যেতে হতে পারে৷

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন