1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

মতামত

‘অনেক ছেলে-মেয়েই সারারাত পর্নো দেখে'

‘পর্নোগ্রাফি' বিষয়টি ডয়চে ভেলের পাঠকদের বেশ ভাবালেও, মতামত জানাতে বা আলোচনা করতে তাঁরা তেমন আগ্রহী নন বলেই মনে হয়েছে৷ তবুও যাঁরা মতামত জানিয়েছেন, তাঁদেরকে ধন্যবাদ৷

পাঠক অরণ্য সৌভিক মনে করেন, পর্নো দেখাটা শুধু বয়সের ব্যাপার৷ তাঁর নিজের বয়স ৩০ থেকে ৩৫-এর মধ্যে৷ তিনি ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় লিখেছেন, ‘‘আমি বা আমার সমবয়সি বন্ধু-বান্ধব কেউ আর পর্নো দেখতে আগ্রহী নই৷ আমরা মনে করি, আমাদের ঐ বয়স পার হয়ে গেছে৷ তবে হ্যাঁ, এটা সত্যি যে আমরা সবাই একবার হলেও পর্নো ছবি দেখেছি৷''

পাঠক ওমর ফারুকের ধারণা, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পর্নো দেখে ১২ থেকে ২০ বয়সিরা৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘ওরা দোকান থেকে ১০ টাকায় এক জিবি....এনে সারারাত ধরে দেখে৷'' 

পুরনো বন্ধু এমএ বারিক অরণ্যর সাথে পুরোপুরি একমত৷ তিনি মনে করেন, এই যুগে এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার৷

পাঠক সেতুর মতে, এখন বড়রা পর্নো বিশেষ না দেখলেও ছোটরা পর্নোগ্রাফিতে বেশি ঝুঁকছে৷ তবে তিনি লক্ষ্য রেখেছেন যে, অনেক পর্নো ইন্টানেটসাইট এখন বেশ কিছুদিন থেকে বন্ধ৷ আর এ সম্পর্কে সেতুর মন্তব্য, ‘‘খুব ভালো হয়েছে বন্ধ করে৷''

পর্নো বিষয়ক লেখা বা এ বিষয়ে কথাবার্তা বলাটাই পাঠক পরিনীতা দাশের কাছে ভিতিকর৷ গৌতম বর্মনও পরিনীতার সাথে একমত প্রকাশ করেছেন৷

অন্যদিকে ডয়চে ভেলের পাঠক শেখ মনিরের কাছে পর্নো বিষয়ক কোনো আলোচনাই ভালো লাগে না, লাগেনি৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন