1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

অনুশীলনের মাধ্যমে আবেগ শেখা সম্ভব

শৈশবে সঠিক অনুশীলনের মাধ্যমে অটিস্টিক মানুষের আবেগ বোঝা ও প্রতিক্রিয়া দেখানোর ক্ষমতার উন্নতি করা সম্ভব৷ সেইসঙ্গে চাই অশেষ ধৈর্য৷ এই ক্ষমতা আয়ত্ত করতে পারলে তাদের জীবন অনেক সহজ হয়ে পড়ে৷

শৈশবই মস্তিষ্ক উদ্দীপিত করার আদর্শ সময়৷ সিমোনে কিয়র্স্ট এমন সফটওয়্যার তৈরি করেছেন, যার সাহায্যে অটিস্টিক শিশুদের ভাবের আদানপ্রদান সহজ করে তোলা যায়৷ অন্য যে কোনো মানুষের মতো অটিস্টিক মানুষেরও অনুভূতি রয়েছে৷ শুধু তারা ঠিকমতো তা প্রকাশ করতে পারে না৷

লুৎস নিজের সম্পর্কে কিছু মৌলিক তথ্য জানালো৷ তার তথাকথিত অ্যাসপারগার সিন্ড্রোম রয়েছে৷ অটিজমের মধ্যেই এ হলো এক বিশেষ ত্রুটি, যা বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটায়৷ সে এক স্বাভাবিক স্কুলেই যায়, অন্য অনেকের তুলনায় সে বেশি মেধাবী৷ কিন্তু অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে ভাবের আদানপ্রদান করা তার জন্য সহজ নয়৷ লুৎস-এর মা কাটিয়া ভুসভস্কি বলেন, ‘‘ক্লাসে সে ভালোই থাকে, মজা পায়৷ সেখানে কোনো সমস্যা নেই৷ কিন্তু বিরতির সময়ে সমস্যা হয়৷ ব্রেক মানেই মাথা খালি হয়ে যাওয়া৷ তখন সে বুঝতে পারে না, কী করা উচিত৷ ফলে সে ক্লাসের মধ্যে ছুটে বেড়ায়, নাড়াচাড়া করে, ঠেলাঠেলি করে৷ অন্যের মনোযোগ আকর্ষণ করে সে বলতে চায়, আমি তোমাদের সঙ্গে কথা বলতে চাই, কিন্তু আমি সেটা পারি না৷''

আজ প্রথমবার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরীক্ষা করা হচ্ছে৷ লুৎস কি অভিনেতাদের অভিব্যক্তি দেখে প্রথমবারই অনুভূতির নাম বলতে পারবে? প্রাপ্তবয়স্কদের কর্মসূচিতে মুখের বিভিন্ন অভিব্যক্তি শনাক্ত করতে হয়৷ আশেপাশের মানুষের আবেগ দেখে বাচ্চাদের সেই অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া দেখাতে শিখতে হয়৷ বজ্রপাতের কারণে মেয়েটির ভয় লাগছে, লুৎস সেটা শনাক্ত করতে পারলো৷ এমন অবস্থায় কী করা উচিত? লুৎস তাকে বাসায় আমন্ত্রণ জানিয়ে রাতে থাকার প্রস্তাব দেবে বলে জানালো৷ সে কয়েক বছর ধরে এই প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছে৷ তার অগ্রগতি সত্যি চোখে পড়ার মতো৷ তার মা বলেন, ‘‘লুৎস-কে নিয়ে পরিস্থিতি সহজ ছিল না৷ কেউ কান্নায় ভেঙে পড়লে সে হেসে ফেলতো, তার খুব আনন্দ ও রোমাঞ্চ হতো৷ আজ আমার চোখে পানি দেখলে সে রুমাল নিয়ে এগিয়ে আসে৷ তার কিছুটা আনন্দ হয় বটে, কিন্তু সে জানে, যে দুঃখের কোনো কারণ ঘটেছে৷ সেই অনুযায়ী সে প্রতিক্রিয়া দেখায়৷''

লুৎস ও রাইনার-এর মতো অটিস্টিক মানুষকে লাগাতার অনুশীলনের মাধ্যমে আবেগ দেখাতে নিজেদের মুখকে প্রস্তুত করতে হয়৷

স্বাভাবিক মানুষও আবেগ অনুশীলন করতে সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে৷ অন্য মানুষের আবেগ সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করা সফল জীবনের চাবিকাঠি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক