1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অনুপ চেটিয়াকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে

বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি উলফা নেতা অনুপ চেটিয়াকে ভারতে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়৷ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল বলেছেন, তিনি দেশে ফিরে যেতে যে আবেদন করেছেন তা বিবেচনাধীন আছে৷

default

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, অনুপ চেটিয়া দেশে ফিরে যেতে যে আবেদন করেছেন তা বিবেচনাধীন আছে

রোববার সংসদে স্বতন্ত্র সাংসদ রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘‘অনুপ চেটিয়া কারাগার থেকে স্বেচ্ছায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আবেদন করেছেন৷ তাঁর আবেদন প্রক্রিয়াধীন আছে৷'' তিনি আরও জানান, ‘‘ভারতীয় নাগরিক অনুপ চেটিয়া ওরফে গোলাপ বড়ুয়া বিভিন্ন অভিযোগে সাজা ভোগের পর বন্দি হিসেবে বাংলাদেশের কারাগারে আটক আছেন৷''

ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ আসাম – উলফার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক অনুপ চেটিয়াকে ১৯৯৭ সালের ২১শে ডিসেম্বর ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়৷

অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ, বিদেশি মুদ্রা এবং স্যাটেলাইট ফোন রাখার অভিযোগে তিনটি মামলায় অনুপ চেটিয়াকে যথাক্রমে তিন, চার ও সাত বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত৷

Indien Bangladesh Grenze mit Soldaten und Stacheldraht

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে এমন কাঁটাতারের বেড়া তৈরির পরিকল্পনা চলছে

সেই সাজার মেয়াদ শেষ হয় ২০০৭ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি৷ সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এখন তিনি রাজশাহী কারাগারে আছেন৷

২০০৫, ২০০৮ ও ২০১১ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে তিন দফা আবেদন করেন অনুপ চেটিয়া৷ শরণার্থীর মর্যাদা পাওয়ার জন্য ২০০৮ সালে জাতিসংঘেও চিঠি লেখেন তিনি৷ আর বাংলাদেশের একটি মানবাধিকার সংগঠনও তাঁর নিরাপত্তা হেফাজতের জন্য উচ্চ আদালতে যায়৷ তবে সর্বশেষ তিনি ভারতে ফিরে যাওয়ার জন্য কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন৷

ভারত সরকার শুরু থেকেই চেটিয়াকে ফেরত চাইলেও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দুই দেশের মধ্যে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকার কথা বলা হচ্ছিল৷ দুই দেশের মধ্যে বন্দি বিনিময়ে ‘বহিঃসমর্পণ চুক্তি' সই হওয়ার পর অনুপ চেটিয়াকে হস্তান্তরের আইনি পথ তৈরি হয়৷ এর আগেও ২০১১ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন বলেছিলেন, অনুপ চেটিয়াকে ফেরত পাঠানো হবে৷ সাহারা খাতুনের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে আসা মহীউদ্দীন খান আলমগীরও ২০১২ সালে এই উলফা নেতাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার কথা জানিয়েছিলেন৷

অন্যদিকে ফেনীর সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক আমদানি প্রতিরোধে মোট ২৮৫ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া এবং কয়েক ধাপে সমান দূরত্বের রিং রোড তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়