অনির্দিষ্টকালের জন্য শেলা নদী দিয়ে নৌ চলাচল বন্ধ | বিশ্ব | DW | 22.03.2016
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অনির্দিষ্টকালের জন্য শেলা নদী দিয়ে নৌ চলাচল বন্ধ

শেলা নদীতে আবারও জাহাজডুবির ঘটনা ঘটেছে৷ ফলে ঐ পথ দিয়ে সবধরণের নৌ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে৷ এর পরিবর্তে মংলা-ঘষিয়াখালী নৌ রুট ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে৷

শনিবার বিকালে ১,২০০ মেট্রিক টনের বেশি কয়লা বহন করা একটি জাহাজ শেলা নদীতে ডুবে যায়৷ জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দর যশোর যাওয়ার পথে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ডুবে যায়৷ যে এলাকায় জাহাজডুবির ঘটনা ঘটেছে সেটি ডলফিনের অভয়ারণ্য বলে পরিচিত৷ এছাড়া কয়লায় যদি সালফারের পরিমাণ বেশি থাকে এবং কয়লা যদি পানি মিশে যায় তাহলে সুন্দরবনের জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশংকা করছেন বন সংরক্ষক জহির উদ্দীন আহমেদ৷

ঐ ঘটনার পর সোমবার থেকে শেলা নদী দিয়ে সবধরণের নৌযান চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান নৌপরিবহণ সচিব অশোক মাধব রায়৷

এর আগে ২০১৪ সালে শেলা নদীতে তেলবাহী একটি জাহাজ ডুবে গেলে অনেকটা অংশ জুড়ে তেল ছড়িয়ে পড়েছিল৷ ঐ ঘটনার পরও শেলা নদীতে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল৷ কিন্তু পরে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে আবার সেই রুট খুলে দেয়া হয়৷ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য খাবার ও শিল্পজাত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে শেলা নদী দিয়েই নৌযান চলাচল করতে হবে বলে দাবি জানিয়েছিল ব্যবসায়ীরা৷

এদিকে, শেলা নদীর বিকল্প রুট তৈরি করতে সরকার ২০১৪ সালের জুনে মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল খননের উদ্যোগ নেয়৷ একবছর কাজ শেষে গত বছরের জুনে চ্যানেলটি চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল৷ কিন্তু এখনও সেই কাজ শেষ হয়নি৷

তবে এপ্রিল মাসের মধ্যেই এই কাজ শেষ হবে বলে চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সাংবাদিকদের জানান নৌ-পরিবহণ সচিব মাধব রায়৷ মংলা-ঘষিয়াখালী নৌ-রুটের সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ‘‘২৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইতিমধ্যে ১ কোটি ২৫ লাখ কিউবিক মিটার মাটি খনন করা হয়েছে৷ খননকাজ শেষ হলে এই রুট দিয়ে ১২ ফুট ড্রাফটের বড় বড় নৌযান চলাচল করতে পারবে৷''

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন