1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অনির্দিষ্টকালের জন্য শেলা নদী দিয়ে নৌ চলাচল বন্ধ

শেলা নদীতে আবারও জাহাজডুবির ঘটনা ঘটেছে৷ ফলে ঐ পথ দিয়ে সবধরণের নৌ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে৷ এর পরিবর্তে মংলা-ঘষিয়াখালী নৌ রুট ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে৷

শনিবার বিকালে ১,২০০ মেট্রিক টনের বেশি কয়লা বহন করা একটি জাহাজ শেলা নদীতে ডুবে যায়৷ জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দর যশোর যাওয়ার পথে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ডুবে যায়৷ যে এলাকায় জাহাজডুবির ঘটনা ঘটেছে সেটি ডলফিনের অভয়ারণ্য বলে পরিচিত৷ এছাড়া কয়লায় যদি সালফারের পরিমাণ বেশি থাকে এবং কয়লা যদি পানি মিশে যায় তাহলে সুন্দরবনের জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশংকা করছেন বন সংরক্ষক জহির উদ্দীন আহমেদ৷

ঐ ঘটনার পর সোমবার থেকে শেলা নদী দিয়ে সবধরণের নৌযান চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান নৌপরিবহণ সচিব অশোক মাধব রায়৷

এর আগে ২০১৪ সালে শেলা নদীতে তেলবাহী একটি জাহাজ ডুবে গেলে অনেকটা অংশ জুড়ে তেল ছড়িয়ে পড়েছিল৷ ঐ ঘটনার পরও শেলা নদীতে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল৷ কিন্তু পরে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে আবার সেই রুট খুলে দেয়া হয়৷ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জন্য খাবার ও শিল্পজাত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে শেলা নদী দিয়েই নৌযান চলাচল করতে হবে বলে দাবি জানিয়েছিল ব্যবসায়ীরা৷

এদিকে, শেলা নদীর বিকল্প রুট তৈরি করতে সরকার ২০১৪ সালের জুনে মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল খননের উদ্যোগ নেয়৷ একবছর কাজ শেষে গত বছরের জুনে চ্যানেলটি চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল৷ কিন্তু এখনও সেই কাজ শেষ হয়নি৷

তবে এপ্রিল মাসের মধ্যেই এই কাজ শেষ হবে বলে চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সাংবাদিকদের জানান নৌ-পরিবহণ সচিব মাধব রায়৷ মংলা-ঘষিয়াখালী নৌ-রুটের সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ‘‘২৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে ইতিমধ্যে ১ কোটি ২৫ লাখ কিউবিক মিটার মাটি খনন করা হয়েছে৷ খননকাজ শেষ হলে এই রুট দিয়ে ১২ ফুট ড্রাফটের বড় বড় নৌযান চলাচল করতে পারবে৷''

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন