1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

অনলাইনে ডাক্তার দেখানো

টেলিমেডিসিন, মানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে রোগী দেখা৷ ডাক্তার থাকেন তাঁর চেম্বারে, রোগী নিজের বাড়িতে৷ কিন্তু পাল্স থেকে শুরু করে ব্লাড প্রেশার, সব কিছু ভিডিও মারফত জানানো হয় চিকিৎসককে৷

হার্টের ক্রিয়া, রক্তচাপ, রক্তে অক্সিজেনের অনুপাত, ওজন: প্রতিদিন সকালে হান্স শিবান তাঁর স্ত্রীর সহায়তায় এই সব ভাইটাল ডাটা মাপেন; সেজন্য এই ৮০ বছর বয়সি হার্টের রোগীকে শহরে হাসপাতাল পর্যন্ত যেতে হয় না৷ ইন্টারনেটেই তাঁর সব ডাটা ডাক্তারের কাছে পৌঁছে যায়৷ ডাক্তার বসেন ব্রান্ডেনবুর্গের টেলিমেডিসিন কেন্দ্রে৷ হাসপাতালের ডাক্তারের টিম হান্স শিবান ও তাঁর হার্টের ওপর নজর রাখছেন ঠিকই৷

ট্রং-গিয়া গুইয়েন-ডোবিনস্কি মেডিকাল ইনফরম্যাটিক্স-এর বিশেষজ্ঞ৷ তিনি একটি স্যাটেলাইট-ভিত্তিক টেলি-ডায়াগনোসিস প্রণালী উদ্ভাবন করেছেন, যার মাধ্যমে ‘‘ডাক্তার দূর থেকে ভাইটাল ডাটা দেখতে পান, সংশ্লিষ্ট ছবিগুলো দেখতে পান৷ তিনি ভিডিও দেখতে পান, রোগীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন৷'' শীঘ্রই এই এস্কুলিংক বা টেলিমেডিসিন পদ্ধতি জার্মান সি রেস্কিউ-তেও ব্যবহার করা হবে৷ অবশ্য টেলি-ডায়াগনোসিস সব রোগের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা চলে না৷ টেলিমেডিসিন বিশেষজ্ঞ ট্রং-গিয়া গুইয়েন-ডোবিনস্কি বলেন, ‘‘প্রণালীটা কার্ডিওভাস্কুলার রোগ কিংবা স্ট্রোকের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উপযোগী৷ ইন্টারনাল মেডিসিন সংক্রান্ত রোগের ক্ষেত্রে প্রণালীটা অতো ভালো নয়, কারণ বাইরে থেকে বিশেষ কিছু দেখতে পাওয়া যায় না৷''

টেলিমেডিসিনে নিত্যনতুন সরঞ্জাম সৃষ্টি হচ্ছে৷ এই পন্থায় বুনিয়াদি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কিছু কিছু ঘাটতিও পুষিয়ে নেওয়া যাচ্ছে৷ আশা করা হচ্ছে যে, এই পন্থায় ডাক্তারের চেম্বারে কিংবা হাসপাতালে রোগীদের ভিড় কমবে৷ তবে টেলিমেডিসিন কোনোদিন ডাক্তার আর রোগীর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের বিকল্প হয়ে উঠতে পারবে না৷ জার্মানির একটি নামকরা স্বাস্থ্য বিমা কোম্পানির প্রতিনিধি মাইক গ্রিগার-এর তাই মত, ‘‘ডাক্তার ব্যথার জায়গাটা ছুঁয়ে দেখতে পারেন, স্পেশাল মাইক্রোস্কোপ দিয়ে লিভার স্পটটা পরখ করে দেখতে পারেন৷ টেলিমেডিসিনে এ সব করা সম্ভব নয়৷ অন্যান্য বহু রোগ ও পরিস্থিতির ক্ষেত্রেও এ কথা বলা চলে৷''

ভবিষ্যতেও ডাক্তারখানাই রোগীদের প্রথম গন্তব্য থাকবে৷ কেননা জার্মানিতে যে কোনো চিকিৎসার আগে ডাক্তারি পরীক্ষা দরকার৷ কিন্তু টেলিমেডিসিন হার্টের রোগীদের সত্যিই কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে৷ লেওনা শিবান ও তাঁর স্বামী হান্স শিবান খুশি যে, তারা এই বয়সেও একসঙ্গে থাকতে পারছেন৷ লেওনা শিবান বলেন, ‘‘প্রতিবারেই আমার ওটা খুব ভালো লাগে, প্রত্যেকদিনই যদি এ ভাবে ওকে চেক করা হয়৷ আমি বলব, এটা ওর জীবন বাঁচিয়েছে৷''

অনলাইন চেকআপের ফলে ৮০ বছর বয়সি হান্স শিবান আজও বাড়িতেই থাকতে পারছেন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়