1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

অধিকাংশ জার্মান ম্যার্কেলকে দায়ী করছেন না

জার্মানিতে গত মাসে দু'টি হামলার সঙ্গে আশ্রয়প্রার্থীরা জড়িত ছিলেন৷ তবে এর জন্য চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের শরণার্থী নীতি দায়ী বলে মনে করেন না অধিকাংশ জার্মান নাগরিক৷

বার্লিনভিত্তিক গবেষণা পরিচালনাকারী সংস্থা ‘ফোর্সা' ২৮ ও ২৯ জুলাই এক হাজারেরও বেশি জার্মান নাগরিকের উপর একটি জরিপ করেছে৷ এর মধ্যে ৬৯ শতাংশ ঐ হামলাগুলোর জন্য ম্যার্কেলের শরণার্থী নীতি দায়ী নয়৷

এই দুই হামলার মধ্যে একটি ছিল গত ২৪ জুলাইয়ের৷ সেদিন এক সিরীয় শরণার্থী আন্সবাখ শহরে একটি ফেস্টিভ্যালের বাইরে নিজের শরীরে থাকা বোমার বিস্ফোরণ ঘটান৷ এই ঘটনার কদিন আগে সিরীয় ঐ শরণার্থীর আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল এবং তাকে বুলগেরিয়ায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল৷

এর ছয়দিন আগে আফগানিস্তান বা পাকিস্তান থেকে আসা ১৭ বছরের এক সঙ্গিহীন শরণার্থী ভ্যুয়র্ত্সবুর্গে একটি ট্রেনে কুড়াল দিয়ে হামলা চালিয়ে পাঁচজনকে আহত করে৷ পরে পুলিশের গুলিতে ঐ ব্যক্তি নিহত হয়৷

তদন্তকারীরা বলছেন, এই দুই হামলার সঙ্গে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর সংযোগ আছে৷

গত বছর শুরু হওয়া শরণার্থী সংকটের পর থেকে জার্মানি প্রায় দশ লক্ষেরও বেশি শরণার্থী নিয়েছে৷ বিশ্লেষকদের ধারণা, এই শরণার্থীদের সঙ্গে আইএস সমর্থনকারী অনেকে ইউরোপে প্রবেশ করে থাকতে পারে৷

ফোরসার জরিপে দেখা যাচ্ছে, ২৮ শতাংশ জার্মান হামলার জন্য ম্যার্কেলের শরণার্থী নীতিকে দায়ী করেছেন৷ এর মধ্যে ৭৮ শতাংশই অভিবাসনবিরোধী দল এএফডি-র সমর্থক৷ শরণার্থী সংকটের পর এই দলটির জনপ্রিয়তা বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ৷

হামলাকারীদের দাফন নিয়ে প্রশ্ন

আন্সবাখ ও ভ্যুয়র্ত্সবুর্গে হামলাকারী দু'জনই মুসলিম৷ তাদের মরদেহ কোথায় এবং কীভাবে দাফন করা হবে তা নিয়ে সমস্যায় পড়েছে কর্তৃপক্ষ৷ ‘সেন্ট্রাল কমিটি অফ মুসলিমস ইন জার্মানি'-র নেতা মোহাম্মদ আবু আল কোমসান জার্মান বার্তা সংস্থা ডিপিএকে বলেছেন, হামলাকারীদের জন্য ইসলামি রীতিতে দাফন নয়, কবরস্থানেও তাঁদের স্থান দেয়া হবে না৷

ক'দিন আগে ফ্রান্সে এক যাজককে হত্যা করা দুই মুসলিম হামলাকারীকে দাফন করতে অস্বীকৃতি জানান সেখানকার মুসলিম নেতারা৷

জেডএইচ/এসবি (ডিপিএ, রয়টার্স, ডিডাব্লিউ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়