1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায় ইইউ

বাংলাদেশে সব দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আশা করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ৷ তাদের আশা, ২০১৪ সালের নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে সব দল নির্বাচনে অংশ নেবে৷বাংলাদেশের প্রধান দু'টি রাজনৈতিক দলও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পক্ষে৷

আজ ৯ মে ‘ইউরোপ দিবসের' আগে ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইইউ রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদোন বলেন, ‘‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বৈশ্বিক এজেন্ডা হিসেবে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে উৎসাহিত করে৷''

তিনি বলেন, ‘‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ কাম্য৷ আর এজন্য আগামীতে সব ধরণের  রাজনৈতিক প্রক্রিয়া অংশগ্রহণমূলক হবে বলে আশা করি৷'' তিনি আশা করেন, ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে উৎসাহিত করতে ইইউ'র যে এজেন্ডা তাতে বাংলাদেশ সাড়া দেবে৷''

তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে ২০০১ সালে ইইউ'র চুক্তির উল্লেখ করে বলেন, ‘‘চুক্তির প্রথম অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি বলে অভিহিত করা হয়েছে৷''

অডিও শুনুন 02:26

‘ বিএনপি চায় সব দলের অংশগ্রহণে একটি স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘বিশ্বের যে কোনো দেশেই গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে সমস্যা থাকে৷ আমি যদি বলি- এখানকার পরিস্থিতিতে আমি খুবই খুশি, তবে আপনারা হয়তো কেউ আমার কথা বিশ্বাস করবেন না৷''

হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সরকারের এখনকার সম্পর্ককে ইতিবাচক উল্লেখ করে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘‘অংশগ্রহণমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া উচিত৷ সমাজের কোনো অংশকে বিচ্ছিন্ন রাখা উচিত নয়৷''

অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে ইইউ দূতের আগ্রহের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি'র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমরা ২০১৪ সালের ৫ জানুযারির নির্বাচনের আগে থেকেই সব দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কথা বলে আসছি৷ সেটা তখন হয়নি বলেই আমরা নির্বাচনে যাইনি৷ এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে যে, এ দেশে নির্বাচনে অংশ নেয়ার মতো পরিবেশ পরিস্থিতি নেই৷'' দুদু বলেন, ‘‘বিএনপি একটি নির্বাচনমুখী দল৷ বিএনপি নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে ছিল, বিরোধী দলেও ছিল৷ বিএনপি চায় সব দলের অংশগ্রহণে একটি স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন৷ আর তার জন্য বিএনপি একটি নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলছে৷ কারণ, দলীয় সরকারের অধীনে বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়৷''

অডিও শুনুন 01:07

‘আমরা দেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা চাই আর এজন্যই চাই সব দল নির্বাচনে অংশ নিক’

বিএনপি'র এই নেতা আরো বলেন, ‘‘চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে এখন অসংখ্য মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে হয়৷ এই একই ধরণের মামলা কিন্তু শেখ হাসিনার বিরুদ্ধেও আছে৷ কিন্তু তা প্রত্যাহার করা হয়েছে৷ সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেও মন্ত্রীত্ব যায় না৷ এটা তো সমতা নয়৷ নির্বাচনের জন্য তাই সমতা প্রয়োজন৷''

তবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘‘আমরা সব সময়ই চাই দেশে সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন৷ আমরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে বিশ্বাসী৷ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ( ২০১৪ সালের ৫ জানুযারি ) দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল যাতে অংশ নেয়, আমরা সে চেষ্টা করেছিলাম৷ আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, নিজে টেলিফোন করেছিলেন নির্বাচন নিয়ে আলাপ আলোচনার জন্য৷ কিন্তু তারা নির্বাচনে আসেননি৷ ভুল পথে পা বাড়িয়েছিলেন৷ ভুল সিদ্ধান্তের কারণে নির্বাচন থেকে সরে গিয়েছিলেন৷ আর এই ভুল সিদ্ধান্ত  জাস্টিফাই করার জন্য তারা সহিংসতা চালিয়েছে৷''

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘‘আমরা দেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা চাই৷ আর এজন্যই চাই সব দল নির্বাচনে অংশ নিক৷ আমরা আশা করি, বিএনপি তার অতীতের ভুল বুঝতে পেরে সামনের নির্বাচনে অংশ নেবে৷''

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়