1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

হিমবাহের মধ্যে সুড়ঙ্গ নির্মাণ

ডানিয়েল আশে/এসবি৭ আগস্ট ২০১৫

পাহাড়, পর্বত, হিমবাহের দেশ আইসল্যান্ড৷ প্রকৃতির নানা খেলা সে দেশে দেখা যায়৷ একটি হিমবাহের মধ্যে সুড়ঙ্গ তৈরি করে আরও বিস্ময়কর জগত উন্মোচন করা হয়েছে সে দেশে – যা দেখে মনে সম্ভ্রম জাগতে বাধ্য৷

https://p.dw.com/p/1GBQu
Langjökull-Gletscher in Island
ছবি: imago/blickwinkel

উপার্জনের তাগিদে টোমাসকে রোজ সকালে দুঘণ্টার জন্য বরফের গভীরে নামতে হয়৷ ১,৩০০ মিটার উচ্চতায় হিমবাহের মধ্যে তাঁর কাজের জায়গা৷ সেখানে পৌঁছনোই একটা অ্যাডভে়ঞ্চার৷ প্রায় ৭৫০ মিটার পুরু হিমবাহের উপর দিয়ে সামরিক বাহিনীর এক রূপান্তরিত গাড়িতে করে সেখানে পৌঁছতে হয়৷

আইসল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম হিমবাহ লাংইয়োকুল-এর মধ্যে সুড়ঙ্গ তৈরির পরিকল্পনাকে প্রথমে চরম অবাস্তব মনে হতো৷ প্রকল্পের প্রধান কিয়ারটান টর টরবিয়র্নসসন বলেন, ‘‘আর্থিক সংকটের পর এখানে অর্থনীতি যখন আবার মাথা তুলে দাঁড়ালো, তখন তেমন কাজ ছিল না৷ তখন এই আইডিয়াটা আসে৷ এখন সেটা বাস্তব হয়ে উঠেছে৷''

ইউরোপের সবচেয়ে বড় হিমবাহ সুড়ঙ্গের কাজ শেষ৷ শ্রমিকরা বরফের ৫০০ মিটার নীচে খোঁড়াখুঁড়ি করেছেন৷ টোমাসকে গোটা শীতকাল এখানে কাটাতে হয়েছে৷ শুধু তুষার ঝড়ের সময় প্রবেশপথ রুদ্ধ হলে সুড়ঙ্গের কাজ বন্ধ রাখতে হতো৷ টোমাস আরনাসন বলেন, ‘‘খুবই কঠিন কাজ ছিল৷ কখনো দিনে মাত্র কয়েক মিটার এগোতে পারতাম৷ ফলে অনেক মাস সময় লেগেছে৷''

হিমবাহের মধ্যে ঢুকে দর্শকদের মনে বিস্ময় জাগে৷ এই সুড়ঙ্গ না থাকলে বিজ্ঞানীদের কাছেও অনেক কিছু গোপন থেকে যেত৷ ৩০ মিটার উপরে বরফের প্রাচীন স্তরের নিজস্ব ইতিহাস রয়েছে৷ আবহাওয়া ইনস্টিটিউটের টরস্টাইন টরস্টাইন্সসন বলেন, ‘‘মনে হচ্ছে, ভিতরে আগ্নেয়গিরির ছাই রয়েছে৷ সম্ভবত ২০১০ সালে এইয়াফিয়াদলাইয়োকুল পাহাড় থেকে৷ সেটি ইউরোপে বিমান চলাচল বিপর্যস্ত করে দিয়েছিল৷''

উপরে বরফের খোলস প্রায় দিগন্ত পর্যন্ত ছেয়ে রয়েছে৷ আইসল্যান্ডে ইউরোপের সবচেয়ে বড় হিমবাহগুলি দেখা যায়৷ গভীরে নেমে দর্শকরা অবাক হয়ে যান৷ তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াসে বাঁধা থাকে বলে নয়, তাঁদের মনে গভীর সম্ভ্রম জাগে৷

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য

আরো সংবাদ দেখান