1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

মোদীর বাংলাদেশ সফর শুরু

৬ জুন ২০১৫

ভারতের প্রাক্তন মনমোহন সিং আঞ্চলিক মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে ঘটা করে ঢাকা সফর করেছিলেন৷ কিন্তু আচমকা বেঁকে বসে সেই সাফল্য নস্যাৎ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এবার নরেন্দ্র মোদীর সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর ভূমিকার উপর সবার নজর৷

https://p.dw.com/p/1FbyK
Screenshot Twitter Modi EINSCHRÄNKUNG
ছবি: Twitter

ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদী আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়টিকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছেন৷ পাকিস্তানের ক্ষেত্রে কোনো উল্লেখযোগ্য সাফল্য সম্ভব না হলেও নেপাল, শ্রীলঙ্কা বা ভুটানের মতো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি৷ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্ব তাঁর কাছে কতটা জরুরি, তা তিনি স্থল সীমান্ত চুক্তি সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন৷ তিস্তা চুক্তিও দ্রুত স্বাক্ষর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি – বিভিন্ন সূত্রে এমন কথা শোনা যাচ্ছে৷ সে ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই৷

আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার পেছনে দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের বেড়ে চলা প্রভাবও কাজ করছে বলে মনে করছে অনেক মহল৷ রয়টার্সের এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী সামরিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রে চীনের উপর বাংলাদেশ নির্ভর করে চলবে৷ চীন মিয়ানমার, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে একের পর এক বন্দর তৈরি করে বা বন্দরের উন্নতি ঘটিয়ে ভারত মহাসাগরে নিজেদের নৌ-শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে৷

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করেছেন৷ অনেক কারণে তাঁর সাম্প্রতিক আচরণ বাংলাদেশে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে৷ সৈয়দ কামরুল আহসান এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের এক হিন্দু সংগঠনের দাবির খবর তুলে ধরেছেন৷

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কোনো আঞ্চলিক সফরকে ঘিরে এত জল্পনা-কল্পনা সহজে দেখা যায় না৷ এ প্রসঙ্গে অনিল কুমার গুপ্ত একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন৷

মোদী-মমতার যৌথ বাংলাদেশ সফর ব্যাঙ্গচিত্র শিল্পীদের মধ্যেও উৎসাহের সৃষ্টি করেছে৷

এসবি/ডিজি (রয়টার্স, এপি)

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য

আরো সংবাদ দেখান