1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

পুলিশ হত্যা মামলায় স্থায়ী জামিন

হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা১৭ জুন ২০১৪

গাড়িতে আগুন দিয়ে পুলিশ হত্যা মামলায় স্থায়ী জামিন পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ তিন নেতা৷ জামিন পাওয়ার পর, সরকারকে অপসারণ করতে দেশবাসীকে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল৷

https://p.dw.com/p/1CJki
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ফাইল ফটো)ছবি: Imago

মঙ্গলবার সকালে মির্জা ফখরুলসহ তিন নেতা ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে হাজির হয়ে পুলিশ হত্যা মামলায় জামিন স্থায়ী করার আবেদন করলে, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হক তাঁদের জামিন স্থায়ী করেন৷ অন্য দু'জন হলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও সদস্য সচিব আবদুস সালাম৷

গত বছরের ডিসেম্বর মাসে মির্জা ফখরুলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে হরতাল অবরোধে গাড়ি ভাঙচুর, গাড়িতে আগুন ও হত্যা সংক্রান্ত পৃথক দু'টি মামলা দায়ের করা হয় রমনা থানায়৷ এর একটি গত বছরের ২৪শে ডিসেম্বর বাংলামোটরে পুলিশের ‘রিকুইজিশন' করা বাসে পেট্রোল বোমা হামলায় ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল পুড়ে মারা যাওয়ার ঘটনার মামলা৷ অন্যটি গাড়ি ভাঙচুর ও গাড়িতে আগুন দেয়ার মামলা৷

এ সব মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মোট পাঁচজন এতদিন জামিনে ছিলেন৷ এর আগে জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করা হলে বিচারক ১৭ই জুন পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন৷ তবে মঙ্গলবার তাঁরা এ সংক্রান্ত মামলায় স্থায়ী জামিন পেলেন, যা ডয়চে ভেলেকে জানান তাঁদের আইনজীবী জয়নুল আবেদিন মেজবাহ৷

এ মামলার বাকি দু'জন আসামি হচ্ছেন ঢাকা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকা ও ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল৷

এদিকে স্থায়ী জামিন পাওয়ার পর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘‘ক্ষমতায় টিকে থাকতে বর্তমান অবৈধ ও অনৈতিক সরকার গুম, খুনের মাধ্যমে দেশকে ভয়ার্ত ত্রাসের রাজত্বে পরিণত করেছে৷ তাই জনগণকে এর থেকে রক্ষা করতে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সবাইকে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে৷''

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘‘আমরা বর্তমানে একটি শ্বাসরুদ্ধকর ভয়ংকর পরিস্থিতির মধ্যে বাস করছি৷ আপনারা দেখেছেন কিছুদিন আগে মিরপুরের কালশীতে ঘরের দরজা বন্ধ করে কীভাবে নৃশংসভাবে নয়জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে৷ এটা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও হার মানায়৷ এর আগে ফেনীতে প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তায় গাড়িতে আগুন দিয়ে এবং গুলি করে উপজেলা চেয়ারম্যানকে হত্যা করা হয়েছে৷ এছাড়াও নারায়ণগঞ্জে মানুষকে খুন করে পরে পেট কেটে ইট বেঁধে লাশ নদীতে ফেলে দেয়াও হয়৷ এ সবের জন্য বর্তমান অবৈধ ও অনৈতিক সরকার দায়ী৷''

সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে প্রশাসনসহ সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর বানিয়ে রেখেছে বলেও দাবি করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব৷

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য