1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

সিম নিবন্ধনে হাতের ছাপ

হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

বাংলাদেশে মোবাইল ফোন সিমের শতকরা ৭৫ ভাগের নিবন্ধনই ত্রুটিপূর্ণ৷ একটি মাত্র জাতীয় পরিচয়-পত্রের বিপরীতে ১৪ হাজার সিম নিবন্ধনের নজিরও পাওয়া গেছে৷ জানান টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম৷

https://p.dw.com/p/1Gasf
Symbolbild - Abschiebehaft in Frankreich
ছবি: Granit Films/David Delaporte

[No title]

গত সপ্তাহ থেকেই মোবাইল ফোনের সিম যাচাই-বাছাই শুরু হয়৷ গ্রাহকদের হাতে এ মুহূর্তে ছয়টি মোবাইল ফোন অপারেটরের প্রায় ১৩ কোটি সিম রয়েছে৷ মঙ্গলবার পর্যন্ত এক কোটি সিমের তথ্য পেয়েছে সরকার, যা মোট সিমের প্রায় শতকরা ৮ ভাগ৷ অথচ এর মধ্যে সঠিকভাবে নিবন্ধন হয়েছে মাত্র ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮০টি সিম৷

তাই আগামী তিন মাসের মধ্যে সবার তথ্য সংগ্রহ করার পরিকল্পনা নিয়েছে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়৷

টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘‘তিন ধাপে এই কাজ হচ্ছে৷ প্রথম কাজ হলো সব মোবাইল অপরেটরের সিম নিবন্ধন জাতীয় পরিচয়-পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে আনা৷ যাঁদের সিমের বিপরীতে প্রয়োজনীয় তথ্য এবং কাগজ-পত্র পাওয়া যাবে না, তাদের তথ্য সংগ্রহ করা৷ এরপর ১৬ই ডিসেম্বর থেকে সিম নিবন্ধনে জাতীয় পরিচয়-পত্রের পাশাপাশি হাতের ছাপকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে৷ এছাড়া সব গ্রাহককেই বায়োমেট্রিকস-এর আওতায় আনা হবে৷''

তারানা হালিম জানান, ‘‘যাঁদের সিমের বিপরীতে প্রয়োজনীয় তথ্য বা কাগজ-পত্র নেই, তাঁদের মোবাইল ফোনের এসএমএস-এর মাধ্যমে একটি কোড দিয়ে জানিয়ে দেয়া হবে৷ সেই কোডের বিপরীতে তাঁরা তাঁদের তথ্য এবং শর্ত পূরণ করবেন৷ এই প্রক্রিয়ায় অবৈধ সিমও বাতিল হয়ে যাবে৷''

সরকারের পরিকল্পনা হলো, মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী সবাইকে জাতীয় পরিচয়-পত্র এবং হাতের ছাপের মাধ্যমে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা৷ এবং সেই সাথে ভুয়া সিম নিবন্ধন পুরোপুরি বন্ধ করা৷

টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম বলেন, ‘‘প্রধানত অপরাধীরাই অবৈধ সিমের সুযোগ নেয়৷ তাই অবৈধ সিম বন্ধ করা গেলে অপরাধ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমে আসবে৷''

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য