1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

সুন্দরবনকে বাঁচাতে আন্দোলন অব্যাহত

১৭ আগস্ট ২০১৬

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন প্রচেষ্টার প্রতিবাদে এবং সুন্দরবনকে বাঁচাতে আন্দোলন অব্যাহত আছে দেশজুড়ে৷ প্রতিবাদ চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও৷ সবার একটাই দাবি, ‘সুন্দরবন বাঁচাও'৷

https://p.dw.com/p/1JjW1
সুন্দরবন
ছবি: Getty Images/AFP/M. Uz Zaman

ফেসবুকে জাহিদুল আলম আল-জাহিদ লিখেছেন, ‘সুন্দরবন কোনো সরকারের একক সম্পত্তি না, এটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সম্পদ, এটি জনগণের সম্পদ, কারো কারো কায়েমি স্বার্থে বা বন্ধুত্ব রক্ষার নামে সুন্দরবন, তথা গোটা বাংলাদেশের বলি হতে আমরা দেব না৷'

তুহিন কান্তি দাশ এ নিয়ে একটি গান গেয়েছেন৷

ফারহান শাহরিয়ার ফুলক ‘সুন্দর বাঁচাও' আন্দোলনে সবাইকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিখেছেন, ‘আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে৷'

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারতীয় হাই কমিশনারের আগমনের সময়েও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা৷ প্রতিবাদকারীদের একজন দাবি করেন, ‘‘আমরাই সময়ের সাহসী সৈনিক৷ হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়৷ প্রথমে আমরা তিনজন ছিলাম, তারপর তা বিশজনে রূপ নেয়৷''

টুইটারেও অব্যাহত আছে প্রতিবাদ৷ হ্যাশট্যাগ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে #StopRampal #savesundarban৷

সজিব আহমেদ টুইট করেছেন, ‘‘আমি স্বাধীনতার পক্ষের, আবার সুন্দরবন বাঁচানোর পক্ষেরও৷ তাই হিরো আলমের সাথে একমত৷''

আব্দুল হাকিম সর্দার লিখেছেন, ‘‘একটা কণ্ঠ পার্থক্য গড়ে দিতে পারে, তাই সুন্দরবনের জন্য জেগে ওঠো৷''

একই প্রসঙ্গে সৈয়দ সিরাতউল্লাহর টুইট...

শর্মিলি রহমান টুইটারে সিলেটের অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের প্রতিবাদ বিক্ষোভের ছবি শেয়ার করেছেন৷

সাঈদ হাসনাইন মাহরুফ ‘সুন্দরবনের ছাওয়াল' নামে একটি একক অভিনয়ের ভিডিও শেয়ার করেছেন৷

এছাড়া সুন্দরবন নিয়ে নাটক, গান রচনাও চলছে৷ জাহিদ গগণের কাহিনী অবলম্বনে হীরক মুশফিকের নির্দেশনায় নাটক ‘হীরক রাজার সুন্দরবন ভাবনা' দেখতে পারেন ইউটিউবে৷

ফিরোজ আহমেদ ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‘কয়লাপক্ষীয়দের অন্যতম প্রধান যুক্তি হলো, কয়লার বিদ্যুৎ সস্তা৷ কথাটা আসলে ডাঁহা অসত্য৷ কয়লাবিদ্যুতের দাম এমনকি এ্লএনজি আমদানি করে বিদ্যুৎ বানানোর চেয়েও অনেক বেশি পড়বে এবং এত খরচ করেও যে দূষণ অবশিষ্ট থাকবে, তাতে আশেপাশের কৃষি-পানি-প্রাণ বিনষ্ট হবে, শিশুরা প্রজন্মান্তরে অসুস্থ হতে থাকবে৷ কয়লা থেকে বের হওয়া পারদের সবচেয়ে ভয়াবহ ঝুঁকি হলো, এটা চর্বিতে জমা হয় এবং খাদ্যচক্রে ছোট মাছ থেকে বড় মাছে স্থানান্তরিত হয়৷ আপনি যদি সুন্দরবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবেন, আপনার মনে যদি বিস্ময় জাগে, কিভাবে এমন একটি অরণ্যকে ধ্বংস করার মত প্রকল্প সরকার নিতে পারে, প্রতিবাদে সামিল হোন৷''

এপিবি/এসিবি

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য