1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

আইপ্যাড এর আশায় বিনিদ্র রজনী

২৮ মে ২০১০

এশিয়ার দশা এমন৷ একজন টানা ৩০ ঘণ্টা সিডনির রাস্তায় শুয়ে-বসে কাটিয়ে প্রথম আইপ্যাড কিনেছেন, অন্যজন সারারাত দোকানের সামনে নির্ঘুম কাটিয়ে পেয়েছেন আইপ্যাড, টোকিওতে৷

https://p.dw.com/p/Nbit
আইপ্যাডছবি: AP

এশিয়ার বাজারে শুক্রবারই যাত্রা শুরু অ্যাপল আইপ্যাডের৷ হালের প্রযুক্তির ১০ ইঞ্চি আকারের কালো এই বস্তু যেন, মহামূল্যবান কোন ওষুধ – যার জন্য সিডনিতে দোকান ঘিরে ২০০ মিটার গোল ভীড় জমেছিল৷ তার ওপর প্রথম ইংলিশ চ্যানেল পার হবার ঘটনার মতো অস্ট্রেলিয়ার সংবাদপত্রে প্রকাশ হচ্ছে প্রথম আইপ্যাড ক্রেতার নাম৷ তিনি রাহুল কোদারি৷ নামে তাঁর ভারত-ভারত গন্ধ থাকলেও, ভারতীয় কিনা জানা যায়নি৷ তবে, তাঁর রেকর্ড হচ্ছে ৩০ ঘণ্টা দোকানের সামনে শুয়ে-বসে কাটানোর, এমনকি খাওয়া-দাওয়াও সেরেছেন দোকানের সামনেই৷ আর এতসব কাণ্ড অ্যাপলের মহার্ঘ আইপ্যাড কেনার জন্য৷

কিন্তু আইপ্যাড নিয়ে এত উত্তেজনা কেন? চলুন জবাবটা শুনি টোকিওতে আইপ্যাড বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান সফটব্যাংক প্রধান মাসাওসি সন এর কাছ থেকে, ‘‘সময় এসেছে একহাতে আইফোন, অন্যহাতে আইপ্যাড নিয়ে ঘোরার৷ অনেকটা সামুরাই'দের মতো, যারা দু'হাতে দুই তলোয়ার নিয়ে ঘুরে বেড়াতো৷''

অবশ্য এশিয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুক্রবারই জার্মানি সহ ইউরোপের কয়েকটি দেশে বিক্রি শুরু হয়েছে আইপ্যাড৷ সেখানেও সাড়া ব্যাপক হলেও বিনিদ্র রাত্রীযাপনের খবর মেলেনি৷ ও হ্যাঁ, আবার বলে বসবেন না যেন, আইপ্যাড কী? আইপ্যাড হচ্ছে খুবই ছোট আকারের এক কম্পিউটার, যা চলে আঙুলের ছোঁয়ায় এবং যার মূল ব্যবহার বলা হচ্ছে ই-বই পড়া, তবে তাতে ইন্টারনেট সার্ফিংসহ মোটামুটি সব কাজই করা যাবে৷

প্রসঙ্গত, এশিয়া এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশে আইপ্যাড বিক্রির কথা ছিল আরো মাসখানেক আগেই৷ কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রথম ২৮ দিনে দশ লাখ আইপ্যাডের বিক্রি মানে, মাত্রাতিরিক্ত বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় অন্য দেশে তা বাজারজাত সম্ভব হয়নি৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন